বিজ্ঞাপন

সবুজের টানে বৃক্ষমেলায়, নজর বিদেশি ফলগাছে

সবুজের টানে বৃক্ষমেলায়, নজর বিদেশি ফলগাছে

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে মাসব্যাপী জাতীয় বৃক্ষমেলায় ধীরে ধীরে বাড়ছে সবুজপ্রেমীদের পদচারণা। ফলজ-বনজ কিংবা ওষুধি-ভেষজের পাশাপাশি এবার নজর কাড়ছে বিদেশি বিভিন্ন ফলগাছের চারায়। একইসঙ্গে ছাদবাগানের উপযোগী গাছ নিয়েও আগ্রহের দেখা মিলছে ক্রেতাদের।

বন অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ৯ জুলাই শুরু হওয়া এ মেলা চলবে এক মাস। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সর্বসাধারণের জন্য থাকছে উন্মুক্ত। মেলায় ১২০ স্টলের মধ্যে ৪৭টি সিঙ্গেল, ২২টি ডাবল ও ৯টি রয়েছে সরকারি। এছাড়া ছাদবাগানের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন উপকরণও পাওয়া যাচ্ছে।

বন বিভাগের কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, এবারের মেলায় মা ও শিশু কর্নার, ব্রেস্টফিডিং সেন্টার, বয়োজ্যেষ্ঠদের বিশ্রামকক্ষ, প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থাসহ কয়েকটি নতুন সংযোজন রাখা হয়েছে। মেলার শুরুতে দর্শনার্থী তুলনামূলক কম থাকলেও মাঝামাঝি ও শেষের দিকে ভিড় থাকে বেশি। তবে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে লোকসমাগমের উপস্থিতি থাকে চোখে পড়ার মতো।

মেলায় অংশ নেওয়া জেএম ট্রপিক্যাল ফ্রুট পার্কের মালিক জুয়েল আহমেদ চৌধুরী জানান, তাদের সংগ্রহে প্রায় ১৪০০ থেকে ১৫০০ প্রজাতির ফলগাছ রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০০ আম, ৩০০-এর বেশি কমলা-মাল্টা ও ৫০টির মতো এভোকাডোর জাত রয়েছে। এবারের মেলায় সবচেয়ে বেশি বিদেশি আম ও কমলা-মাল্টার জাত নিয়ে এসেছেন তারা।

তিনি বলেন, গত দুদিনে বিদেশি নানা জাতের আম, কমলা-মাল্টা, পেয়ারা ও এভোকাডো মিলিয়ে প্রায় দেড় থেকে দুই লাখ টাকার চারা বিক্রি হয়েছে। তবে বিপুলসংখ্যক জাত সাজিয়ে রাখতে সময় লাগায় এখনো পুরোপুরি বিক্রি শুরু করতে পারিনি।

একটি কেইট জাতের আমের চারা কিনেছেন গাইবান্ধা থেকে আসা দর্শনার্থী মোহাম্মদ হুমায়ুন মণ্ডল। নিজের বাগানে লাগানোর জন্য গাছটি নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। তার মতে, পরিবেশের জন্য আমগাছ উপকারী। এছাড়া এবারের মেলায় চারার দামও তুলনামূলক কম।

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণকে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করাই এবারের মেলার অন্যতম লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এমআরআর/জেডএস 

বিজ্ঞাপন