বিজ্ঞাপন

কুশিয়ারা অববাহিকায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতির শঙ্কা

কুশিয়ারা অববাহিকায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতির শঙ্কা

সিলেট ও সুনামগঞ্জে কুশিয়ারা নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কা রয়েছে। একইসঙ্গে দেশের পূর্ব, উত্তর-পূর্ব ও উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বাড়ায় কয়েকটি জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

শনিবার (১১ জুলাই) প্রকাশিত বন্যা পরিস্থিতি ও পূর্বাভাসে বলা হয়, বর্তমানে সাঙ্গু নদীর বান্দরবান ও দোহাজারী, খোয়াই নদীর বাল্লাহ, মনু নদীর মৌলভীবাজার এবং কুশিয়ারা নদীর মারকুলি ও ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

আগামী ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম বিভাগ ও ভারতের ত্রিপুরায় ভারী থেকে অতি ভারী এবং পরবর্তী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগসহ ভারতের মেঘালয়, আসাম ও পশ্চিমবঙ্গে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। মধ্য উত্তরপ্রদেশের উত্তরাংশে অবস্থানরত লঘুচাপটি আরও দুর্বল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আগামী ২৪ ঘণ্টায় বান্দরবান, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি ধীরে কমে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে। তবে পরবর্তী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় মুহুরি, ফেনী, সেলোনিয়া ও হালদা নদীর পানি কিছু স্থানে বিপৎসীমা অতিক্রম করে ফেনী, চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ির নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা সৃষ্টি করতে পারে। লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালীর কিছু নিম্নাঞ্চলও সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।

মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জে মনু, ধলাই ও খোয়াই নদীর পানি কমে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে। তবে সারিগোয়াইন, যাদুকাটা, সোমেশ্বরী ও ভুগাই-কংস নদীর পানি বাড়ায় সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোণা, শেরপুর ও ময়মনসিংহের কিছু এলাকায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার শঙ্কা রয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি বেড়েছে এবং এ প্রবণতা আগামী ৪৮ ঘণ্টা অব্যাহত থাকতে পারে। এতে সিলেট ও সুনামগঞ্জে কুশিয়ারা তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। একই সঙ্গে সুরমা তীরবর্তী এলাকায়ও স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে।

এ ছাড়া আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধায় তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি বেড়ে কিছু স্থানে বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে, ফলে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।

এমএইচএন/জেডএস

বিজ্ঞাপন