বিজ্ঞাপন

তৈলারদ্বীপ ব্রিজকে স্থায়ীভাবে টোলমুক্ত ঘোষণার দাবিতে স্মারকলিপি

তৈলারদ্বীপ ব্রিজকে স্থায়ীভাবে টোলমুক্ত ঘোষণার দাবিতে স্মারকলিপি

চট্টগ্রামের আনোয়ারা ও বাঁশখালী উপজেলার সংযোগস্থলে সাঙ্গু নদীর ওপর নির্মিত তৈলারদ্বীপ ব্রিজে টোল আদায়ের নতুন টেন্ডার প্রক্রিয়া বাতিল ও স্থায়ীভাবে টোলমুক্ত ঘোষণার দাবি জানিয়েছে বাঁশখালী সচেতন নাগরিক সমাজ।

রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সংগঠনটির আহ্বায়ক এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়রের একান্ত সহকারী সচিব মারুফুল হক চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল এ স্মারকলিপি দেয়।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, তৈলারদ্বীপ ব্রিজ নির্মাণের পর দীর্ঘদিন ধরে টোল আদায় করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে টোল বাবদ ব্রিজটির নির্মাণ ব্যয়ের কয়েক গুণ বেশি অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে। এ ব্রিজ ব্যবহার করে বাঁশখালী, সাতকানিয়া, পেকুয়া, মহেশখালী, চকরিয়া, কুতুবদিয়াসহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের লাখো মানুষ প্রতিদিন যাতায়াত করেন। দীর্ঘদিন ধরে টোল আদায়ের কারণে সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী ও শিক্ষার্থীদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি হয়েছে।

স্মারকলিপি দেওয়া শেষে মারুফুল হক চৌধুরী বলেন, বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির কারণে মানুষ এমনিতেই চাপে রয়েছে। এর মধ্যে টোল আদায় যাতায়াত ও পণ্য পরিবহনের ব্যয় আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ব্রিজটির নির্মাণ ব্যয় বহু আগেই উঠে এসেছে। এরপরও সড়ক ও জনপথ বিভাগ পুনরায় টোল আদায়ের জন্য নতুন দরপত্র আহ্বানের উদ্যোগ নেওয়ায় স্থানীয় জনগণের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তাই জনস্বার্থে নতুন টেন্ডার প্রক্রিয়া অবিলম্বে বাতিল করে ব্রিজটিকে স্থায়ীভাবে টোলমুক্ত করার দাবি জানান তিনি।

স্মারকলিপিতে নতুন টেন্ডার প্রক্রিয়া স্থগিত ও বাতিল, তৈলারদ্বীপ ব্রিজকে স্থায়ীভাবে টোলমুক্ত ঘোষণা এবং টোল প্লাজায় দীর্ঘ যানজট ও জনভোগান্তি দূর করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়।
স্মারকলিপি গ্রহণের সময় জেলা প্রশাসক বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দেন। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে জনস্বার্থে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানান।

এ সময় প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট নেজাম উদ্দিন, অ্যাডভোকেট সরোয়ার কামাল, অ্যাডভোকেট হিরো আলম, আবু বকর সিকদার, হাসান মোহাম্মদ জুনায়েদ রাসেল ও আব্দুল ওয়াহেদ সুমনসহ বাঁশখালী সচেতন নাগরিক সমাজের নেতারা।

এমআর/জেআই