দীর্ঘমেয়াদে একটি সংগঠনকে সফল ও কার্যকর করতে কর্মপরিকল্পনার বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা ইউনিভার্সিটি পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের (ডুপা) সভাপতি ও বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ।
গত শনিবার (১১ জুলাই) মুন্সিগঞ্জের মাওয়াঘাটের পদ্মাসেতু সার্ভিস এরিয়া-১-এ আয়োজিত ডুপার দিনব্যাপী ‘কৌশলগত পরিকল্পনা কর্মশালা-২০২৬’ উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
জালাল আহমেদ বলেন, একটি সংগঠনকে দীর্ঘমেয়াদে সফল করতে হলে পরিকল্পিত চিন্তা, ধারাবাহিক কর্মপরিকল্পনা এবং সবার সক্রিয় অংশগ্রহণের কোনো বিকল্প নেই। এ কর্মশালা শুধু ভবিষ্যতের কর্মপরিকল্পনা তৈরির জন্য নয়। বরং এটি সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, বিশ্বাস এবং ঐক্যের বন্ধন আরও দৃঢ় করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। আজকের এই উদ্যোগ আগামী দিনের ডুপাকে আরও শক্তিশালী, কার্যকর ও অনুকরণীয় সংগঠনে পরিণত করবে বলে আশাব্যক্ত করেন তিনি।
সূচনা বক্তব্যে কর্মশালার উদ্দেশ্য, প্রয়োজনীয়তা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার দিকনির্দেশনা তুলে ধরেন ডুপার সাধারণ সম্পাদক ও অতিরিক্ত সচিব এএসএম হুমায়ুন কবীর। সেশন পরিচালনা করেন সংগঠনের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও কর্মশালা বাস্তবায়ন উপকমিটির আহ্বায়ক ড. একেএম সাইফুল্লাহ।
কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন ডুপার ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সাবেক রাষ্ট্রদূত রুহুল আলম সিদ্দিকী, ভাইস প্রেসিডেন্ট ও অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা ফরহাদ জেসমীন লিটি, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব রিয়াসাত আল ওয়াসিফ, যোগাযোগ-প্রকাশনা সম্পাদক ও যুগ্মসচিব রত্না শারমীন ঝরা, সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ডেভেলপমেন্ট প্রাক্টিশনার হোসনে আরা বেগম, সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক মঈনা খাতুন তুলিসহ আরও অনেকে।
ব্রেইনস্টর্মিং সেশনে ‘ড্রিমিং ফিউচার ডুপা’, ‘ড্রিম টার্নিং ইনটু রিয়েলিটি’ এবং ‘অ্যাকশন প্ল্যান প্রিপারেশন’ শীর্ষক বিষয়ের ওপর আলোচনা ও দলভিত্তিক মতবিনিময় হয়।
অংশগ্রহণকারীরা ডুপার দীর্ঘমেয়াদি ভিশন, ভবিষ্যৎ লক্ষ্য অর্জনের কৌশলসহ সময়োপযোগী কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নে বিভিন্ন গঠনমূলক প্রস্তাব উপস্থাপন করেন। আলোচনা শেষে সংগঠনের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্যে এএসএম হুমায়ুন কবীর বলেন, ডুপার ইতিহাসে কৌশলগত পরিকল্পনা নিয়ে এ ধরনের কর্মশালা প্রথম। এ কর্মশালায় গৃহীত পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হলে ডুপা শুধু সদস্যদের জন্যই নয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং বৃহত্তর সমাজের জন্যও একটি কার্যকর ও অনুপ্রেরণাদায়ক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।
এমআরআর/এমএন
