বিজ্ঞাপন

দক্ষ জনশক্তি গড়তে আনসার-ভিডিপির প্রশিক্ষণার্থী বাছাই সম্পন্ন

দক্ষ জনশক্তি গড়তে আনসার-ভিডিপির প্রশিক্ষণার্থী বাছাই সম্পন্ন

দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর উদ্যোগে আয়োজিত ৬০ দিনব্যাপী মেসন (রাজমিস্ত্রী), শাটারিং কার্পেন্টার ও স্টিল ফিক্সার প্রশিক্ষণের জন্য প্রশিক্ষণার্থী বাছাই কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। 

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দেশের বিভিন্ন জেলায় একযোগে এই বাছাই কার্যক্রম পরিচালিত হয়। আগামী ১৯ জুলাই থেকে ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলবে।

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি একাডেমি, গাজীপুর এবং মানিকগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, জামালপুর, নোয়াখালী, সুনামগঞ্জ, পাবনা, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর ও নওগাঁ জেলা কার্যালয়সহ মোট ১০টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে।

বাহিনীর মহাপরিচালকের নির্দেশনা অনুযায়ী সদর দপ্তর কর্তৃক গঠিত বাছাই কমিটি নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ করে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন কার্যক্রম পরিচালনা করে। এ জন্য AVMIS App-এর TRGMS এবং AVJOBS Portal-এর মাধ্যমে পূর্বে নিবন্ধন সম্পন্নকারী প্রার্থীদের সরাসরি উপস্থিতিতে মূল্যায়ন করা হয়।

বাছাই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে প্রার্থীদের উচ্চতা-ওজন পরিমাপ, জাতীয় পরিচয়পত্র ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই, প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং গুগল ডকের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। পরে মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের দক্ষতা, আগ্রহ ও প্রশিক্ষণ গ্রহণের সক্ষমতা মূল্যায়ন করে চূড়ান্ত নির্বাচন করা হয়।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রতিটি ধাপে নির্ধারিত মানদণ্ড কঠোরভাবে অনুসরণ করায় প্রকৃত যোগ্য ও আগ্রহী প্রার্থীদের নির্বাচন নিশ্চিত হয়েছে।

আনসার-ভিডিপির এই কর্মমুখী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সদস্যদের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি, দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীরা দেশের নির্মাণ খাতে দক্ষ কর্মী হিসেবে চাকরির সুযোগ পাওয়ার পাশাপাশি আত্মকর্মসংস্থানের ক্ষেত্রও তৈরি করতে পারবেন।

এ ছাড়া বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি, নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন এবং প্রয়োজনীয় কর্মসংস্থান সহায়তা প্রদানের উদ্যোগও নেওয়া হবে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ ধরনের প্রশিক্ষণ সদস্যদের জীবনমান উন্নয়নের পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতেও ইতিবাচক অবদান রাখবে।

এসএএ/ডিএ