বিজ্ঞাপন

প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক

স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের স্বার্থে জামায়াতের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে হবে

স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের স্বার্থে জামায়াতের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে হবে

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেছেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের স্বার্থে জামায়াতের বিরুদ্ধে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। তারা বাইরে এসে জনগণের সামনে সরকারকে ফেলে দেওয়ার কথা বলে। কিন্তু ভেতরে পজিটিভলি আলোচনা করে। এর পেছনে তাদের ফায়দা হলো— বিভাজন তৈরি করে আওয়ামী লীগকে পুনরায় জায়গা করে দেওয়া।

রোববার (১৯ জুলাই) জাতীয় প্রেস ক্লাবে গণঅধিকার পরিষদ আয়োজিত ‘রক্তস্নাত জুলাই : প্রেক্ষাপট, রক্তের ঋণ এবং কোন পথে বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি

প্রতিমন্ত্রী বলেন, জামায়াতকে পৃষ্ঠপোষকতা করে ক্ষমতায় নেওয়ার জন্য ছাত্রদেরও তাদের পকেটে ঢুকানো হয়েছে। সব জায়গায় ছাত্রদের ব্যবহার করে জামায়াত-শিবিরের লোকদের পদায়ন করা হয়েছে। আমাদের বন্ধু ও ভাইয়েরা নিজেরা একটি রাজনৈতিক ভিত্তিতে দাঁড়ানোর আগেই জামায়াতের জুতো পায়ে দিয়ে দাঁড়িয়ে গেছে। ৫ থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত দেশে কোনো ট্রাফিক পুলিশ ছিল না। সাধারণ মানুষ দায়িত্ব পালন করেছে। সারা দেশে কোনো অপরাধের ঘটনা ঘটেনি। কিন্তু এমন একটি সুযোগ পাওয়ার পরও আমরা দেখলাম অন্তর্বর্তী সরকারের ভেতর কিচেন ক্যাবিনেট নয়-ছয় শুরু করেছে।

প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।

ইশরাক হোসেন বলেন, চব্বিশের সঙ্গে একাত্তরের মূল স্পিরিটকে তুলনা করলে বলতে হবে, একাত্তরের ধারাবাহিকতায় চব্বিশের গণঅভ্যুথ্থান ঘটেছিল। দুটো একই সূত্রে গাঁথা, পরস্পর বিরোধী না। একাত্তরে যেমন পাকিস্তানে আমাদের দাস বানিয়ে রাখতে চেয়েছিল, একইভাবে আমরা চব্বিশে দেখেছি, ভারতের আধিপত্য শক্তি যে রয়েছে তারা বাংলাদেশকে কব্জা করে রাখতে চেয়েছিল। আমরা একাত্তরের সঙ্গে চব্বিশকে মিলিয়ে ফেলতে চাই না।

একাত্তরে জামায়াতে ইসলামের ভূমিকা তুলে ধরে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বলেন, যাদের অতীতের ইতিহাস..। ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যাবে কোন দলের কোন ভূমিকা ছিল। বাংলাদেশের জনগণ এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সংরক্ষণ করার জন্য সূচনালগ্ন থেকে আজ অবধি কোনো কোনো রাজনৈতিক দলের কি ভূমিকা ছিল সেটা নতুন করে বলার দরকার নেই। কারণ, এটা বাংলাদেশের জনগণ খুব ভালো করেই জানে।

এনআই/এমএন