বিজ্ঞাপন

বন্যার্তদের খাদ্য সহায়তা দিল আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়া মাদরাসা

বন্যার্তদের খাদ্য সহায়তা দিল আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়া মাদরাসা

চট্টগ্রামের পটিয়ার ঐতিহ্যবাহী আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়া মাদরাসার উদ্যোগে বন্যাকবলিত চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলার বন্যার্ত পরিবারের মাঝে খাদ্যসহায়তা বিতরণ করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) চকরিয়া উপজেলার হারবাং, বরইতলী, রাসুলাবাদ, ডেঙ্গাকাটা, পহরচাঁদা, পাহাড়তলী ও মচনিয়াকাটা এবং পেকুয়া উপজেলার টইটং, পেকুয়া পৌরসভা, দক্ষিণ মেহেরনামা ও বাঘগুজারা এলাকার মুসলিম ও অমুসলিম বন্যাদুর্গত পরিবারের মধ্যে চাল, ডাল, আলুসহ বিভিন্ন ধরনের শুকনো খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

এ ছাড়া কয়েকটি পরিবারকে নগদ অর্থসহায়তাও প্রদান করা হয়। এর আগে প্রথম ধাপে বাঁশখালীসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় হাজারো পরিবারের কাছেও খাদ্যসহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়।

পটিয়া আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া মাদরাসার মুহতামিম মুফতি একরাম হোসাইন অদুদীর নেতৃত্বে আয়োজিত এ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন মাদরাসার নায়েবে মুহতামিম আল্লামা জাকারিয়া আজহারী, নাজেমে তালিমাত মুফতি জসিম উদ্দিন কাসেমী, মাওলানা হাফেজ মাসুম, মাওলানা সলিমুদ্দিন মাহদী কাসেমী, মাওলানা আনিসুল হক, মাওলানা শহীদুল ইসলামসহ মাদরাসার শিক্ষক, কর্মকর্তা, খাদেম ও স্বেচ্ছাসেবকেরা। এ সময় চকরিয়া পাহাড়তলী তা'লীমুল কুরআন মাদরাসা এবং পেকুয়া আশরাফুল উলুম মাদরাসার মুহতামিম, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা খাদ্যসহায়তা বিতরণে সার্বিক সহযোগিতা করেন।

খাদ্য সহায়তা বিতরণকালে মাদরাসার মুহতামিম মুফতি একরাম হোসাইন অদুদী বলেন, দুর্যোগ-দুর্বিপাকে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কষ্ট লাঘবে সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসা উচিত। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে আমাদের এই মানবিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ। সবার সহযোগিতায় আমরা আরও বেশি অসহায় মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছে দিতে চাই।

তিনি আরও বলেন, আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া পটিয়ার ইতিহাস কেবল ইলম ও দীনের খেদমতের নয়, মানবতার সেবারও এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। ১৯৯১ সালের প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়, দেশের বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ, ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যা এবং জাতীয় সংকটের প্রতিটি মুহূর্তে জামিয়া মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। আজকের এই ত্রাণ কার্যক্রমও সেই ঐতিহ্যেরই ধারাবাহিকতা।

জেআই