বিজ্ঞাপন

পুলিশের এসআইকে কুপিয়ে জখম : চট্টগ্রাম থেকে ৪ আসামি গ্রেপ্তার

পুলিশের এসআইকে কুপিয়ে জখম : চট্টগ্রাম থেকে ৪ আসামি গ্রেপ্তার

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. ওসমান গনিকে কুপিয়ে জখম করার ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

রোববার (২৬ জুলাই) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন মোহাম্মদপুর জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) জুয়েল রানা।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- শরিফ উদ্দিন বাবু(২২), নাজমুল হাসান(২৩), ইমন(২৩) ও জুয়েল(২২)।

তিনি জানান, তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চট্টগ্রামের খুলশী থানা এলাকা থেকে এসআইকে কুপিয়ে আহত করার ঘটনায় চার আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে কী কারণে তারা পুলিশের এই এসআইকে কেন কুপিয়ে আহত করা হয়েছে এবং এর পিছনে কী উদ্দেশ্য, সে বিষয়টি এখনো জানা যায়নি।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার রাতে মোহাম্মদপুর থানার কাদেরাবাদ হাউজিং এলাকায় স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে বাসায় ফেরার পথে ছুরিকাঘাতের শিকার হন এসআই ওসমান গনি। তিনি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) ইমিগ্রেশন শাখায় কর্মরত।

পুলিশ সূত্র জানায়, রাত সাড়ে ৯টার দিকে কাদেরাবাদ হাউজিংয়ের সি ব্লকের ৪ নম্বর রোডে বাজার করে ফেরার সময় পেছন থেকে এক দুর্বৃত্ত ওসমান গনির পিঠে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে আহত অবস্থায় তিনি হামলাকারীকে ধরার চেষ্টা করলেও পারেননি।

ঘটনার পর ওসমান গনি নিজেই বাদী হয়ে মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করেন। মামলার এজাহারে তিনি উল্লেখ করেন, স্ত্রী তানজিনা সীমা ও একমাত্র সন্তানকে নিয়ে বাসায় ফেরার সময় এ হামলার ঘটনা ঘটে।

কুপিয়ে গুরুতর আহত করার পর প্রথমে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে চিকিৎসা নেন তিনি। পরে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। তার পিঠে ৪৫টি সেলাই লেগেছে বলে জানা গেছে।

এর আগে পুলিশ জানিয়েছিল, হামলাকারীদের প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করা হয়েছে। তবে ঘটনার কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

তেজগাঁও বিভাগের মোহাম্মদপুর-আদাবর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানিয়েছিলেন, এটি ছিনতাইয়ের ঘটনা নয়। পূর্বশত্রুতার জেরে হামলা হয়ে থাকতে পারে। জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করা গেলে হামলার প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজে হামলার আগে তিন যুবককে ওসমান গনির সঙ্গে কথা বলতে এবং পরে তাদের দৌড়ে পালিয়ে যেতে দেখা গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এখন আটক চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে হামলার কারণ ও ঘটনার বিস্তারিত জানার চেষ্টা করা হচ্ছে।

এসএএ/জেআই