চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি বলেছেন, চিড়িয়াখানাকে শুধু বিনোদনের স্থান হিসেবে নয়, প্রাণী সংরক্ষণ, গবেষণা, শিক্ষা ও পরিবেশ সচেতনতার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে।
সোমবার (২৭ জুলাই) চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যেন দেশের ঐতিহ্যবাহী ও গুরুত্বপূর্ণ প্রাণী, তাদের জীবনযাপন, বৈশিষ্ট্য এবং পরিবেশগত গুরুত্ব সম্পর্কে জানতে পারে, সে লক্ষ্যেই চিড়িয়াখানাকে আধুনিকভাবে সাজানো হবে।
তিনি বলেন, আধুনিক চিড়িয়াখানার উদ্দেশ্য শুধু প্রাণী প্রদর্শন নয়; বরং প্রাণী সংরক্ষণ, গবেষণা, শিক্ষা, পরিবেশ সচেতনতা এবং বিনোদনের সমন্বিত ব্যবস্থা গড়ে তোলা। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় আধুনিক সুযোগ-সুবিধা, উন্নত ব্যবস্থাপনা, দর্শনার্থী বান্ধব পরিবেশ এবং শিক্ষামূলক কার্যক্রম চালু করা হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের অন্যান্য চিড়িয়াখানাকেও আরও আধুনিক ও আকর্ষণীয় করে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। চিড়িয়াখানাগুলোকে শিশু-কিশোর ও তরুণ প্রজন্মের জন্য জ্ঞানার্জন এবং প্রকৃতি সম্পর্কে জানার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে।
চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানার উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রাণীদের জন্য নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করা, তাদের আবাসস্থল উন্নয়ন এবং দর্শনার্থীদের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হবে। একই সঙ্গে চিড়িয়াখানাকে এমন একটি আকর্ষণীয় স্থানে পরিণত করা হবে, যেখানে পরিবার নিয়ে মানুষ আনন্দঘন সময় কাটাতে পারবেন এবং নতুন প্রজন্ম দেশের প্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে বাস্তব জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পাবে।
চিড়িয়াখানা পরিদর্শনের সময় চট্টগ্রাম-৭ আসনের সংসদ সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরী, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এমআর/এসএএস
