বিজ্ঞাপন

প্রতীকী ধর্মঘট প্রত্যাহার সিএনজি মালিক সমিতির

প্রতীকী ধর্মঘট প্রত্যাহার সিএনজি মালিক সমিতির

মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সারা দেশে গ্যাস সরবরাহে সৃষ্ট সংকটের প্রেক্ষাপটে ৩০ জুলাই ঘোষিত প্রতীকী ধর্মঘট কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছে সিএনজি স্টেশন মালিকরা। তবে তাদের দীর্ঘদিনের দাবি-দাওয়ার যৌক্তিক সমাধান না হলে আগামী ২৩ আগস্ট থেকে সারা দেশের সব সিএনজি ফিলিং স্টেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার পূর্বঘোষিত সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।

সোমবার (২৭ জুলাই) এক বার্তায় এ তথ্য জানায় বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভার্শন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।

সংগঠনটি জানায়, গত ৩ জুন বিদ্যুতের নতুন মূল্যহার ঘোষণার পর ৬ জুন ও ২১ জুলাই অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে সরকারের কাছে বেশ কয়েকটি দাবি তুলে ধরা হয়েছিল। এসব দাবি গত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে উত্থাপন করা হলেও এখনো কার্যকর কোনো সমাধান পাওয়া যায়নি।

বার্তায় বলা হয়, গত ২৩ জুলাই পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান বর্তমান গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য অ্যাসোসিয়েশনকে আমন্ত্রণ জানান। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২৫ জুলাই পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যানের সঙ্গে সংগঠনের নেতাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির পাশাপাশি সিএনজি খাতের বিভিন্ন দাবি ও সমস্যার বিষয়ও তুলে ধরা হয়। তবে পেট্রোবাংলা কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ করেছে সংগঠনটি।

সংগঠনের নেতারা দাবি করেন, জ্বালানি বিভাগের গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটির ২০১৩ ও ২০১৭ সালের সুপারিশ থাকা সত্ত্বেও সিএনজি খাতের বিভিন্ন সমস্যা এখনো সমাধান হয়নি। এছাড়া জ্বালানি মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য একাধিকবার আবেদন করা হলেও এখন পর্যন্ত সে সুযোগ মেলেনি।

বার্তায় আরও বলা হয়, সিএনজি ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন ধরে লোকসান গুনছেন এবং খাতটি চরম সংকটের মুখে রয়েছে। তবে বর্তমান গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকারকে সহযোগিতা করতে ৩০ জুলাই সকাল ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত প্রতীকীভাবে স্টেশন বন্ধ রাখার কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হয়েছে।

একই সঙ্গে সংগঠনটি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, দাবি-দাওয়ার ইতিবাচক ও যৌক্তিক সমাধান না হলে আগামী ২৩ আগস্ট থেকে সারা দেশের সব সিএনজি ফিলিং স্টেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।

ওএফএ/এমএন

বিজ্ঞাপন