সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে কুশিয়ারা নদী এখনও বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও আগামী দুই দিন নদী সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের প্রকাশিত বৃষ্টিপাত ও নদ-নদীর পরিস্থিতি বিষয়ক পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।
পূর্বাভাসে বলা হয়, বর্তমানে পর্যবেক্ষণাধীন নদীগুলোর মধ্যে শুধু কুশিয়ারা নদী সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ স্টেশনে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সুরমা নদীর পানি কমলেও কুশিয়ারা নদীর পানি স্থিতিশীল রয়েছে। আগামী দুই দিন এ অবস্থা বজায় থাকতে পারে এবং পরবর্তী এক দিনে পানি বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এ সময়ে সিলেটের কুশিয়ারা নদী সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকতে পারে।
এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদ-নদীর পানি কমেছে। আগামী একদিন পানি আরও কমে পরবর্তী দুই দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে। এরপর চতুর্থ ও পঞ্চম দিনে পানি কিছুটা বাড়তে পারে। তবে নদীগুলো বিপৎসীমার নিচ দিয়েই প্রবাহিত হওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। একই সময়ে গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানিও কমেছে। আগামী তিন দিন স্থিতিশীল থেকে পরবর্তী দুই দিনে পানি বাড়তে পারে, তবে সেগুলোও বিপৎসীমার নিচেই থাকবে।
উত্তরাঞ্চলে ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি কমলেও তিস্তার পানি বেড়েছে। এসব নদীর পানি আগামী একদিন স্থিতিশীল থেকে পরবর্তী দুই দিনে বাড়তে পারে।
চট্টগ্রাম বিভাগের হালদা, সাঙ্গু, গোমতী, মুহুরী ও সেলোনিয়া নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে মাতামুহুরী ও ফেনী নদীর পানি স্থিতিশীল রয়েছে। এসব নদীর পানি আগামী এক দিন আরও বাড়তে পারে এবং পরবর্তী দুই দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে।
এ ছাড়া, পশ্চিম মধ্য ছত্তিশগড় ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি দুর্বল হয়ে নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে এটি বিদর্ভ ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ মধ্যপ্রদেশ এলাকায় অবস্থান করছে এবং আরও পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে যেতে পারে।
এমএইচএন/এসএএস
