বিজ্ঞাপন

টানেল সংযোগ সড়ক : শপিং মলের সামনে পুকুর সাদৃশ্য গর্তে মৃত্যুঝুঁকি

টানেল সংযোগ সড়ক : শপিং মলের সামনে পুকুর সাদৃশ্য গর্তে মৃত্যুঝুঁকি

কর্ণফুলী টানেল সংযোগ সড়কের বিভিন্ন স্থানে অপরিকল্পিতভাবে খোঁড়াখুঁড়ি ও বিপজ্জনক গর্ত ফেলে রাখায় বড় ধরনের দুর্ঘটনার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে ব্যস্ততম চাতুরী চৌমহনী বাজার এলাকায় শপিং মলের সামনে তৈরি হওয়া পুকুর সাদৃশ্য বড় বড় গর্তের কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন ক্রেতা ও পথচারীরা। বর্ষার পানিতে এসব গর্ত এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) দ্রুত এসব গর্ত ভরাটের দাবিতে ওয়ান মাবিয়া শপিং সেন্টার ও চৌমহনী বাজারের ব্যবসায়ীরা যৌথভাবে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন।

dhakapost

জানা গেছে, কর্ণফুলী টানেল দিয়ে ঢাকা-কক্সবাজারের যাতায়াত দূরত্ব কমাতে আনোয়ারা কালাবিবির দীঘি থেকে শিকলবাহা ওয়াই জংশন পর্যন্ত ৮ দশমিক ১ কিলোমিটার ছয় লেনের সংযোগ সড়কের ব্যয় ধরা হয়েছিল ৪৭০ কোটি টাকা। ২০২০ সালে শুরু হওয়া এ সড়কের কাজ ২০২২ সালের জুনের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু দীর্ঘ চার বছর পেরিয়ে ২০২৬ সালের জুলাই মাসে এসেও কাজ শেষ করতে পারেনি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড (এনডিই)। দীর্ঘদিন কাজ বন্ধ থাকার পর গত সপ্তাহ থেকে পুনরায় কাজ শুরু করলেও তাদের এই খোঁড়াখুঁড়ি চরম ভোগান্তি তৈরি করেছে।

স্থানীয়দের মতে, বর্ষার মৌসুমে চাতুরী চৌমহনী বাজার ও আশপাশের শপিং মলগুলোর সামনে জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে গর্তগুলো ঢাকা পড়ে থাকে, যা নারী ও শিশুদের যাতায়াতে মারাত্মক বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ওয়ান মাবিয়া সিটি সেন্টারের ব্যবসায়ী আজম খান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সড়কের কাজ চলমান থাকলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান যেভাবে গর্তগুলো অরক্ষিত অবস্থায় ফেলে রেখেছে, তাতে ক্রেতাদের যাতায়াত অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে নারী ও শিশুরা এই পথ দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন।

dhakapost

এ বিষয়ে সড়ক নির্মাণকারী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি আবদুর রব-এর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ দ্রুত এই বিপজ্জনক গর্তগুলো ভরাট করে জনদুর্ভোগ লাঘবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

জেআই