বিজ্ঞাপন

সবার সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান বজায় রাখছে সরকার : হুমায়ুন ক‌বির

সবার সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান বজায় রাখছে সরকার : হুমায়ুন ক‌বির

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির ব‌লে‌ছেন, বেইজিং বলুন, ওয়াশিংটন বলুন, সৌদি আরব বলুন বা রাশিয়া বলুন; সবার স‌ঙ্গে সরকার একটি কৌশলগত ও বিস্তৃত সম্পৃক্ততা উপভোগ করছে এবং একটি ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান বজায় রাখছে।

রোববার (২ আগস্ট) পররাষ্ট্র মমন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এ কথা ব‌লেন তি‌নি।

হুমায়ুন ক‌বির ব‌লেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর, এই সরকার একটি মজবুত ও জোরালো অবস্থানে রয়েছে। এই সরকারের ভিত্তি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং দেশের জনগণ এর প্রধান শক্তি। যে কারণে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন যে, এটি সব জায়গা থেকে সম্মান অর্জন করছে।

তি‌নি বলেন, এটি একটি নতুন সূচনা, কিন্তু অত্যন্ত ইতিবাচক ও জোরালো সূচনা। সারাবিশ্বের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক ও সম্পৃক্ততা বজায় রাখার ক্ষেত্রে এটি একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ভিত্তি। 

হুমায়ুন ক‌বির ব‌লেন, বাংলাদেশ ফার্স্ট মানে এই নয় যে, বাংলাদেশ বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন থাকবে। এর অর্থ হলো, আমাদের পররাষ্ট্রনীতির সবচেয়ে সামনের সারিতে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়া। আমাদের পররাষ্ট্রনীতি এবং বৈদেশিক অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নীতির মধ্যে খুব বেশি পার্থক্য করা যায় না... আমাদের মতো একটি দেশ একে অপরের থেকে খুব বেশি বিচ্ছিন্ন থাকতে পারে না। এটি অবশ্যই একটি সমন্বিত পদ্ধতি হতে হবে।

উপ‌দেষ্টা ব‌লেন, সেই সমন্বিত পদ্ধতির মাধ্যমেই আপনারা এখন বাংলাদেশের প্রভাব দেখতে পাচ্ছেন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ যে পরিচিতি অর্জন করছে তা দেখতে পাচ্ছেন। আমাদের পররাষ্ট্রনীতির এই দৃশ্যমানতা ও শক্তির অনেকটাই আসছে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত প্রভাব থেকে। 

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত সা‌র্জিও গ‌রের সফ‌রে কোন বিষয়গু‌লো প্রাধান্য পেল জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, এই সফরটি ছিল তার জন্য একটি অনুসন্ধানমূলক সফর। তিনি বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করতে চান। যুক্তরাষ্ট্রও বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে চায়। ওয়াশিংটনের সঙ্গে আমাদের অত্যন্ত চমৎকার একটি সম্পর্ক রয়েছে।

তি‌নি ব‌লেন, তার সফ‌রে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রযুক্তিসহ অনেক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে আগামী দশকে এশিয়ার একটি সম্ভাব্য প্রযুক্তিগত হাব হিসেবে দেখছে। বাংলাদেশ সেই হাব হয়ে উঠতে পারে এবং সেই সম্ভাবনা অর্জন করতে পারে। এ ছাড়া, ব্যবসা-বাণিজ্য, আঞ্চলিক ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অবস্থান, আন্তর্জাতিক অবস্থান... অর্থাৎ সামগ্রিকভাবে অনেক বিষয় নিয়েই আলোচনা হয়েছে। 

সার্জিও গরের সঙ্গে শেখ হাসিনা ইস্যুতে আলোচনার প্রশ্নে হুমায়ুন ক‌বির ব‌লেন, শেখ হাসিনা এখন একটি অপ্রাসঙ্গিক বিষয়। কেউ একজন সন্ত্রাসীকে নিয়ে কথা বলে না। বুঝতে পেরেছেন?

এনআই/জেডএস

বিজ্ঞাপন