বিজ্ঞাপন

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

সৌদি প্রতিরক্ষা জোটে নীতিগতভাবে শরিক হয়েছি, কারও বিরুদ্ধে যাই‌নি

সৌদি প্রতিরক্ষা জোটে নীতিগতভাবে শরিক হয়েছি, কারও বিরুদ্ধে যাই‌নি

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম ব‌লে‌ছেন, নীতিগতভাবে সৌদি প্রতিরক্ষা জোটের সঙ্গে শরিক হয়েছি। এটি অন্য কোনো গোষ্ঠী বা কারও বিরুদ্ধে নয়, বরং শুধুমাত্র বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থেই আমরা এই নীতিতে একমত হয়েছি।

সোমবার (৩ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

সৌদির নেতৃত্বে গ‌ঠিত জো‌টে বাংলা‌দে‌শের যুক্ততার প্রশ্নে প্রতিমন্ত্রী ব‌লেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময় থেকেই বাংলাদেশ মুসলিম বিশ্ব, ওআইসি এবং বহুপাক্ষিক সংস্থাগুলোতে সবসময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতা ও শান্তি সুরক্ষার জন্য বাংলাদেশ সরকারের মনে হয়েছে যে, এই জোটে থাকা দেশের মানুষের স্বার্থের অনুকূল। তাই আমরা এতে নীতিগতভাবে সমর্থন জানাচ্ছি। 

শামা ওবা‌য়েদ ব‌লেন, এর পরিধি কী হবে বা আমরা কী পরিমাণে সংযুক্ত থাকব, তার কোনো বিশ্লেষণ এখনো হয়নি। আমরা কেবল নীতিগতভাবে এই জোটের সঙ্গে শরিক হয়েছি। এটি অন্য কোনো গোষ্ঠী বা কারো বিরুদ্ধে নয়, বরং শুধুমাত্র বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থেই আমরা এই নীতিতে একমত হয়েছি।

যুক্তরাষ্ট্রের প্যাসিফিক ফ্লিট কমান্ডারের সফ‌র নি‌য়ে করা প্রশ্নের জবা‌বে প্রতিমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের মেরিটাইম ও ডিফেন্সসহ অনেক জায়গাতেই সহযোগিতা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র বা অন্য যেকোনো দেশের প্রতিনিধিদল যখন বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থে কাজ করতে আসে, আমরা অবশ্যই তাদের স্বাগত জানাই। তারা এসেছেন এবং মিটিং করবেন। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও উন্নত করার জন্যই তারা এসেছেন।

ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র যেমন বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সামরিক মহড়া অনুশীলন করছে, এটি কি তারই অংশ কিনা-জান‌তে চাই‌লে প্রতিমন্ত্রী বলেন, হতে পারে, কারণ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এটি আমাদের একটি চলমান প্রক্রিয়া। ইন্দো-প্যাসিফিক একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং বাংলাদেশ সবসময়ই এর অংশ।

এনআই/জেডএস