ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) অঞ্চল-১ এর ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের বেইলি রোড এলাকায় (অফিসার্স ক্লাব মোড় থেকে হেয়ার রোড পর্যন্ত) চলমান ফুটপাত ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন কাজে গুরুতর অনিয়ম পরিলক্ষিত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে অনিয়ম করে নির্মিত ৯ মিটার গাইড ওয়াল অবিলম্বে ভেঙে ফেলে পুনঃনির্মাণের নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে
সোমবার (৩ আগস্ট) ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশেনের মুখপাত্র মো. রাসেল রহমান জানান, গত রাত সাড়ে ১০টায় ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম বেইলি রোডের ২৪ নম্বর বাংলোর সামনের উন্নয়ন কাজ সরেজমিনে পরিদর্শনে যান। পরিদর্শনকালে তিনি দেখতে পান, ৯ মিটার গাইড ওয়াল নির্মাণে শিডিউল ও স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী গুণগত মানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়নি। এছাড়া সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলী বা কার্য-সহকারীর উপস্থিতি ছাড়াই সম্পূর্ণ অননুমোদিতভাবে রাতের আঁধারে ঢালাই কাজ সম্পাদন করা হচ্ছিল।
চুক্তি দলিলের গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ শর্তাবলি অনুযায়ী প্রতিটি উন্নয়ন কাজে নির্দিষ্ট মানসম্পন্ন সামগ্রী ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। এই অনিয়মের প্রেক্ষিতে চুক্তি দলিলের শর্ত অনুযায়ী অননুমোদিত ও স্পেসিফিকেশন বহির্ভূত কাজটি অবিলম্বে বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি নির্মিত অংশটি ভেঙে অপসারণ করে নতুনভাবে নির্মাণের কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা (পিপিআর) এবং চুক্তির শর্ত ভঙ্গের দায়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটিকে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ ডিএসসিসির অঞ্চল-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম জয় স্বাক্ষরিত এক স্মারকে এই শোকজ নোটিশ জারি করা হয়।
এ বিষয়ে ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আবদুস সালাম স্পষ্ট বার্তা দিয়ে জানান, নগরীর উন্নয়ন কাজের মান বজায় রাখতে যেকোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির বিরুদ্ধে সিটি কর্পোরেশন ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করবে। তিনি আরও জানান, কাজের গুণগত মান সুনিশ্চিত করতে এ ধরনের আকস্মিক নৈশ পরিদর্শন অব্যাহত থাকবে।
এএসএস/এমএন
