আগামী ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রচনা, আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পাশাপাশি দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভা আয়োজনের নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি স্কুল, কলেজ, টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, এইচএসটিটিআই, জেলা শিক্ষা অফিস এবং উপজেলা ও থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে।
রোববার (৩ আগস্ট) মাউশির সহকারী পরিচালক (সাধারণ প্রশাসন) মো. রেজাউল করিম সই করা এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। এতে বলা হয়, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ৯ জুলাই তারিখের চিঠি, ২৮ জুন অনুষ্ঠিত বাস্তবায়ন কমিটির সভার কার্যবিবরণী এবং ৩ মে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার কার্যবিবরণীর আলোকে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে নির্ধারিত কর্মসূচিগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে।
নির্দেশনা অনুযায়ী, ১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত সুবিধাজনক সময়ে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রচনা, আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে হবে। একই সঙ্গে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’-এর তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভা আয়োজনেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে, দেশের সব জেলায় রচনা, আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা আয়োজনের পাশাপাশি প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দিবসটির গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভা নিশ্চিত করতে হবে।
এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের দায়িত্বে রয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার, বিভাগীয় কমিশনার, ডিআইজি, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর ও সংস্থা।
আরএইচটি/এমটিআই
