বিজ্ঞাপন

খিলগাঁওয়ে নির্মাণাধীন ভবনে ঝুলছিল নির্মাণ শ্রমিকের মরদেহ

খিলগাঁওয়ে নির্মাণাধীন ভবনে ঝুলছিল নির্মাণ শ্রমিকের মরদেহ

রাজধানীর খিলগাঁও থানাধীন উত্তর নন্দীপাড়া ৬ নম্বর রোডের একটি নির্মাণাধীন ভবনে মো. আরিফ সরদার (২২) নামের এক নির্মাণ শ্রমিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে মরদেহটি ময়নাতদন্তে জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নিহত আরিফ জামালপুর জেলার ইসলামপুর থানার পোড়ারচর সরদারপাড়া এলাকার আলম সরদারের ছেলে। বর্তমানে তিনি মানিকদিয়া চেয়ারম্যান বাড়ি সবুজবাগ এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।

ওই ভবনের কেয়ারটেকার মো. ইছার আলী জানান, নিহত আরিফ পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি ছিলেন। সকালে আমি ওই নির্মাণাধীন ভবনে দায়িত্ব পালন করছিলাম। সকাল ৮টার দিকে আমি আরিফকে নিচতলা থেকে ভবনের উপরের দিকে উঠে যেতে দেখি। এর কিছুক্ষণ পর ১০ তলা নির্মাণাধীন ভবনের উপরে নির্মাণাধীন নামাজের ঘর থেকে চিৎকার ও শোরগোলের শব্দ শুনতে পাই। শব্দ শুনে দ্রুত সেখানে গিয়ে দেখি, সিলিং ফ্যানের হুকের সাথে কালো রশি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছেন আরিফ। পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে। 

তিনি আরও জানান, কয়েক দিন ধরে আরিফ মানসিকভাবে বিষণ্ন ও অমনোযোগী হয়ে বসে থাকতেন। আমাদের সঙ্গেও তিনি তেমন একটা কথাবার্তা বলতেন না। কী কারণে আরিফ আত্মহত্যা করেছেন, এ বিষয়টি আমরা বলতে পারব না।

খিলগাঁও থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. নজরুল ইসলাম জানান, আমরা খবর পেয়ে বেলা আনুমানিক ১১টার দিকে খিলগাঁওয়ে উত্তর নন্দীপাড়া ৬ নম্বর রোড ২২/৬৮-এ নূর টাওয়ারের ১১ তলার পাশে একটি নির্মাণাধীন ১০ তলা ভবনে যাই। সেখানে ছাদে নামাজের রুমে সিলিং ফ্যানের হুকের সঙ্গে কালো রশি দ্বারা ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহ পাই। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও জানান, স্থানীয় লোকের মুখে জানতে পারি, নিহত ব্যক্তি নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করতেন। কী কারণে তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন, বিষয়টি জানার চেষ্টা চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

এসএএ/এসএএস