বিজ্ঞাপন

সার্কভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথ গবেষণায় আগ্রহী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

সার্কভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথ গবেষণায় আগ্রহী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথ গবেষণা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময় এবং একাডেমিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। এ লক্ষে সার্কভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে অংশীদারত্ব জোরদার এবং ভবিষ্যতে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর, আন্তর্জাতিক সেমিনার আয়োজন ও যৌথ গবেষণা উদ্যোগ বাস্তবায়নে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে সার্ক সচিবালয়।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। 

এতে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে সার্ক সচিবালয়ে সংস্থাটির মহাসচিব রাষ্ট্রদূত গোলাম সারওয়ারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভাইস-চ্যান্সেলর) অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ। বৈঠকে উভয় পক্ষ দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারে সার্কের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

বৈঠকে অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে জ্ঞান, গবেষণা ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রকে আরও সমৃদ্ধ করতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে কার্যকর অংশীদারত্ব গড়ে তোলা সময়ের দাবি। 

তিনি বলেন, বর্তমানে উচ্চশিক্ষা বৈশ্বিক জ্ঞানবিনিময়, গবেষণা, প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির অন্যতম প্রধান ভিত্তি। এ বাস্তবতায় সার্কভুক্ত দেশগুলোর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে যৌথ উদ্যোগ শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

তিনি আরও বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক মানের, গবেষণানির্ভর ও দক্ষতাকেন্দ্রিক উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের লক্ষ্যে বিভিন্ন সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সার্কভুক্ত দেশগুলোর বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথ গবেষণা, একাডেমিক সেশন এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময় কর্মসূচি চালু হলে শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাবেন। একইসঙ্গে আঞ্চলিক জ্ঞানভিত্তিক সহযোগিতারও নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

সার্ক মহাসচিব রাষ্ট্রদূত গোলাম সারওয়ার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংস্কার ও মানোন্নয়ন উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, সার্কভুক্ত দেশগুলোর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে যৌথ একাডেমিক কার্যক্রম, শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময় এবং গবেষণা সহযোগিতা সম্প্রসারণে সার্ক সচিবালয় প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে প্রস্তুত। দক্ষিণ এশিয়ার উচ্চশিক্ষা খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি আঞ্চলিক উন্নয়ন ও মানবসম্পদ বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আরএইচটি/এএমকে

বিজ্ঞাপন