বিজ্ঞাপন

ক্লিন ঢাকা, গ্রিন ঢাকা গঠনে নাগরিকদের সহযোগিতা প্রয়োজন

ক্লিন ঢাকা, গ্রিন ঢাকা গঠনে নাগরিকদের সহযোগিতা প্রয়োজন

ঢাকা সিটির ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে ক্লিন ঢাকা, গ্রিন ঢাকা গঠনে সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীর পাশাপাশি নাগরিকদের সহযোগিতা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।

শনিবার (৮ আগস্ট) রাজধানীর নওয়াব হাবিবুল্লাহ মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিশেষ পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও র‍্যালির  উদ্বোধন কালে তিনি একথা বলেন।

প্রশাসক বলেন, বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইতোমধ্যেই ঢাকাকে ক্লিন এবং গ্রিন রাখার জন্য ঘোষণা দিয়েছেন এবং ঘোষণা বাস্তবায়নের জন্য অনুশাসন জারি করেছেন। অনুশাসন জারির পর ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন কাজ শুরু করেছে এবং ঢাকা শহরকে ডেঙ্গু মুক্ত এবং মশা নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য স্কুল কলেজের মধ্য দিয়ে প্রতি সপ্তাহে এ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

তিনি বলেন, শুধু সিটি করপোরেশন নয় প্রতিটি পাড়া, মহল্লা, প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সহযোগিতা করার অনুরোধ করা হচ্ছে। গত ১৫ জুলাই ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সকল স্টেক হোল্ডার, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রতিটি সোসাইটির মালিক সমিতিসহ মাননীয় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীদের উপস্থিতিতে বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের সচিব ও পুলিশ কমিশনারসহ সকলকে নিয়ে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সবাইকে সচেতনতা করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ২৮ জুলাই আমরা স্কুলে প্রোগ্রাম করেছি এবং তার ধারাবাহিকতায় আজ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন ঘোষণা করা হলো। চলার পথে যদি আপনার হাতে থাকা টিস্যু, ছোট পানির বোতল একটি নির্দিষ্ট জায়গায় ফেলেন, তাহলে আপনারা নিজেরাই দেখবেন রাস্তার আশেপাশে কোনো আবর্জনা থাকবে না। আমরা চাই আপনাদের একটি সুন্দর নগর উপহার দিতে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্ন জবাবে প্রশাসক বলেন, যাদের বাসা বাড়িতে ডেঙ্গুর লার্ভা পাওয়া যাবে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তাদেরকে আমরা জরিমানা করব। এ পদক্ষেপ বাস্তবায়নের জন্য ১০ জন ম্যাজিস্ট্রেট ইতোমধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে যোগদান করেছে। তাদের মাধ্যমে আমরা দ্রুত কাজ শুরু করব।

অনুষ্ঠানে ঢাকা ১৮ আসনের সংসদ সদস্য এসএম জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানে সিটি করপোরেশনকে সহযোগিতা করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।

অনুষ্ঠানে ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান, প্রধান বর্জ্য কর্মকর্তা কমডোর মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রাকিবুল হাসান, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরীসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এএসএস/আরএফ