‘রুপালি মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আগামী ১৬ থেকে ৩০ আগস্ট সারাদেশে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উদযাপন করা হবে। আগামী ১৬ আগস্ট কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার আচমিতা ইউনিয়নের জর্জ ইনস্টিটিউট মিনি স্টেডিয়াম মাঠে কেন্দ্রীয় উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধন ও পদক বিতরণ করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মৎস্য উৎপাদন, গবেষণা, প্রযুক্তি উদ্ভাবন, সম্প্রসারণ, প্রশাসনিক দক্ষতা ও উদ্যোক্তা উন্নয়নে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এবার ১৩টি ক্যাটাগরিতে ১৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় মৎস্য পদক (স্বর্ণ পদক) দেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, আগামী ১৬ থেকে ৩০ আগস্ট সারাদেশে একযোগে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উদযাপিত হতে যাচ্ছে। জাতীয় মৎস্য পক্ষের কেন্দ্রীয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আগামী ১৬ আগস্ট কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদী উপজেলার আচমিতা ইউনিয়নের জর্জ ইনস্টিটিউট মিনি স্টেডিয়াম মাঠে অনুষ্ঠিত হবে।
তিনি বলেন, অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬-এর উদ্বোধন ঘোষণা এবং পদক বিতরণ করবেন।
মন্ত্রী বলেন, জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষ্যে ১৩টি ক্যাটাগরিতে ১৪ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় মৎস্য পদক (স্বর্ণ পদক) দেওয়া হবে। মৎস্য উৎপাদন, গবেষণা, প্রযুক্তি উদ্ভাবন, সম্প্রসারণ, প্রশাসনিক দক্ষতা এবং উদ্যোক্তা উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখার স্বীকৃতি হিসেবে এ পদক দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, জাতীয় মৎস্য পক্ষ উদযাপনের লক্ষ্য কেবল একটি বার্ষিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন নয়; বরং দেশের মৎস্যসম্পদের সংরক্ষণ, নিরাপদ ও মানসম্মত মাছ উৎপাদন, জলবায়ু সহিষ্ণু মৎস্যচাষের সম্প্রসারণ, সামুদ্রিক সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা এবং পুষ্টি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে মৎস্যখাতের অবদান সম্পর্কে জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং অংশীদারিত্ব আরও সুদৃঢ় করা।
তিনি আরও বলেন, মৎস্যখাত বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি, কর্মসংস্থান, দারিদ্র্য বিমোচন, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন এবং টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম প্রধান ভিত্তি। সরকারের দূরদর্শী নীতি, গবেষণা ও প্রযুক্তির সম্প্রসারণ এবং অংশীজনদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে এ খাতকে আরও আধুনিক, প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই পর্যায়ে উন্নীত করার কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
এসএইচআর/জেডএস
