জাহাজ চলাচলে প্রতিবন্ধকতা ও নেভিগেশনাল ঝুঁকি তৈরি করায় চট্টগ্রাম বন্দর চ্যানেল ও বহির্নোঙর এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ মাছ ধরার জাল ও জাল স্থাপনে ব্যবহৃত সরঞ্জাম জব্দ ও অপসারণ করা হয়েছে।
শনিবার (১৫ আগস্ট) চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে বন্দর কর্তৃপক্ষের বিএলভি লুসাই ও বিএলভি আলী অংশ নেয়। বাংলাদেশ কোস্টগার্ড অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, মূল শিপিং চ্যানেল ও নেভিগেশনাল রুটে অবৈধ ও বিপজ্জনকভাবে মাছ ধরার জাল স্থাপনের কারণে জাহাজ চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছিল। এসব জাল নেভিগেশনে ঝুঁকি তৈরি করছিল। অভিযানে চ্যানেল ও বহির্নোঙর এলাকার বিভিন্ন স্থানে স্থাপিত বিপুল পরিমাণ জাল শনাক্ত করে জব্দ ও অপসারণ করা হয়।
অভিযানকালে নেভিগেশনাল রুটে অবস্থানরত ফিশিং বোটগুলোকে চ্যানেল এলাকা থেকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে নৌ-চলাচল রুট ও চ্যানেলে পুনরায় জাল স্থাপন না করতে সংশ্লিষ্ট মাঝিমাল্লাদের সতর্ক করা হয়।
বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর দেশের প্রধান সামুদ্রিক প্রবেশদ্বার হওয়ায় এর নেভিগেশনাল চ্যানেল নিরাপদ ও সচল রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জাহাজের নির্বিঘ্ন চলাচল এবং বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম নিশ্চিত করতে নেভিগেশনাল চ্যানেলে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না।
কর্ণফুলী নদী ও বহির্নোঙর এলাকায় অবৈধ কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, কোস্ট গার্ড ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
এমআর/এমএসএ
