দেশের সব প্রধান নদ-নদীর পানি বর্তমানে বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও চট্টগ্রাম, বান্দরবান ও কক্সবাজারের কয়েকটি নদীর পানি সতর্ক সীমায় উঠতে পারে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় হালদা, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি দ্রুত বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (বাপাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের ‘বৃষ্টিপাত ও নদ-নদীর পরিস্থিতি এবং পূর্বাভাস’ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল-পশ্চিমবঙ্গ উপকূল ও তৎসংলগ্ন উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় মৌসুমি নিম্নচাপ হিসেবে অবস্থান করছে। এটি আরও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।
আবহাওয়া সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, আগামী দুই দিন খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগ এবং তৎসংলগ্ন উজানে ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে। পরবর্তী এক দিন দেশের অভ্যন্তরে ও তৎসংলগ্ন উজানে মাঝারি-ভারি থেকে ভারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে।
চট্টগ্রাম বিভাগের হালদা, সাঙ্গু, মাতামুহুরী, মুহুরী, সেলোনিয়া ও ফেনী নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে। বিপরীতে গোমতী নদীর পানি কমেছে। এসব নদীর পানি আগামী এক দিন দ্রুত বাড়তে পারে এবং পরবর্তী দুই দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় হালদা, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদী চট্টগ্রাম, বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলার কিছু এলাকায় সতর্ক সীমায় প্রবাহিত হতে পারে।
এদিকে ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে। আগামী দুই দিন পানি স্থিতিশীল থাকার পর পরবর্তী তিন দিন বাড়তে পারে। তবে এসব নদীর পানি বিপৎসীমার নিচে থাকতে পারে।
উত্তরাঞ্চলের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানিও গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে। আগামী এক দিন পানি স্থিতিশীল থাকার পর পরবর্তী দুই দিন বাড়তে পারে। অন্যদিকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি কমেছে, যা আগামী তিন দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে।
এমএইচএন/জেডএস
