বিজ্ঞাপন

খাদ্যপণ্যে ট্রান্স ফ্যাটের সর্বোচ্চ মাত্রা ২ শতাংশ নির্ধারণ

খাদ্যপণ্যে ট্রান্স ফ্যাটের সর্বোচ্চ মাত্রা ২ শতাংশ নির্ধারণ

হৃদরোগসহ বিভিন্ন অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি কমাতে ভোজ্যতেল, বনস্পতি, লাচ্ছা সেমাই, ডেকোরেটেড কেক, চিপস ও চানাচুরসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্যে শিল্পোৎপাদিত ট্রান্স ফ্যাটের সর্বোচ্চ মাত্রা ২ শতাংশ নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)।

সোমবার (১৭ আগস্ট) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বিএসটিআইয়ের প্রধান কার্যালয়ে ‘বাংলাদেশে টিএফএ-মুক্ত ভোজ্যতেল ও পিএইচও উৎপাদন উৎসাহিতকরণ’ শীর্ষক অংশীজন পরামর্শ সভায় এ তথ্য জানানো হয়। বিএসটিআই ও ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ যৌথভাবে এ সভার আয়োজন করে।

সভায় জানানো হয়, খাদ্যপণ্যে ট্রান্স ফ্যাটি অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূলের লক্ষ্যে বিভিন্ন পণ্যের জন্য বাংলাদেশ মান (বিডিএস) প্রণয়ন করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ভোজ্যতেল, বনস্পতি, লাচ্ছা সেমাই, ডেকোরেটেড কেক, চিপস ও চানাচুরসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্যে ট্রান্স ফ্যাটের সর্বোচ্চ মাত্রা ২ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও জানানো হয়, শিল্পোৎপাদিত ট্রান্স ফ্যাটি অ্যাসিড হৃদরোগসহ বিভিন্ন অসংক্রামক রোগের অন্যতম ঝুঁকি। এ কারণে বাংলাদেশ সরকার ‘খাদ্যদ্রব্যে ট্রান্স ফ্যাটি অ্যাসিড (টিএফএ) নিয়ন্ত্রণ প্রবিধানমালা, ২০২১’ প্রণয়ন করেছে। এর বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বিএসটিআই বনস্পতি ও নন-ডেইরি ভেজিটেবল ঘির জাতীয় মান সংশোধন করেছে।

বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক (সচিব) কাজী ইমদাদুল হক বলেন, ট্রান্স ফ্যাটমুক্ত নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে উৎপাদক ও ব্যবসায়ীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। শিল্পখাতের বাস্তব সমস্যা, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও উৎপাদন প্রক্রিয়া বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন ভোজ্যতেল উৎপাদন ও পরিশোধনকারী প্রতিষ্ঠান এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সভায় অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) ও সরকারের অগ্রাধিকার নিয়েও আলোচনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীম প্রমুখ।

এমএইচএন/জেডএস

বিজ্ঞাপন