বিজ্ঞাপন

৪ জেলার নদীতে পানি বাড়তে পারে, প্লাবনের শঙ্কা

৪ জেলার নদীতে পানি বাড়তে পারে, প্লাবনের শঙ্কা

দেশের সব প্রধান নদ-নদীর পানি বর্তমানে বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও আগামী ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম, বান্দরবান, কক্সবাজার ও ফেনীর কয়েকটি নদীর পানি সতর্ক সীমায় প্রবাহিত হতে পারে। একইসঙ্গে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও সাময়িকভাবে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের প্রকাশিত বৃষ্টিপাত ও নদ-নদীর পরিস্থিতি এবং পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম বিভাগের হালদা, সাঙ্গু, মাতামুহুরী, গোমতী, মুহুরী, সেলোনিয়া ও ফেনী নদীর পানি সমতল গত ২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে। এসব নদীর পানি আগামী একদিন দ্রুত বাড়তে পারে। এরপর পরবর্তী দুই দিন পানি সমতল স্থিতিশীল থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

আগামী ২৪ ঘণ্টায় হালদা, সাঙ্গু, মাতামুহুরী ও সেলোনিয়া নদী চট্টগ্রাম, বান্দরবান, কক্সবাজার ও ফেনী জেলার কিছু এলাকায় সতর্ক সীমায় প্রবাহিত হতে পারে। এতে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে সাময়িক জলাবদ্ধতা বা প্লাবন দেখা দিতে পারে।

এদিকে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল-পশ্চিমবঙ্গ উপকূল ও তৎসংলগ্ন উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মৌসুমি নিম্নচাপটি পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বর্তমানে ঝাড়খণ্ড ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরও পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ধীরে ধীরে দুর্বল হতে পারে।

বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী একদিন খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগ এবং তৎসংলগ্ন উজানে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। পরবর্তী দুই দিন এসব এলাকায় মাঝারি-ভারী থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে।

অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানি সমতল কমেছে। আগামী দুই দিন এসব নদীর পানি স্থিতিশীল থাকতে পারে এবং পরবর্তী তিন দিন বাড়তে পারে। তবে পানি বিপৎসীমার নিচে থাকতে পারে।

উত্তরাঞ্চলের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানিও গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে। তবে আগামী তিন দিন এসব নদীর পানি সমতল বাড়তে পারে। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি সমতলও কমেছে, যা আগামী তিন দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে।

এমএইচএন/জেডএস

বিজ্ঞাপন