বিজ্ঞাপন

চট্টগ্রামের ভবিষ্যৎ উন্নয়নে মাস্টারপ্ল্যান, অংশীজনের মতামত নিলো সিডিএ

চট্টগ্রামের ভবিষ্যৎ উন্নয়নে মাস্টারপ্ল্যান, অংশীজনের মতামত নিলো সিডিএ

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকার খসড়া মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (চউক) ও পরিকল্পিত চট্টগ্রাম ফোরামের মধ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিকেল ৩টায় চউক ভবনের সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সিডিএ ‘চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকার মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন’ প্রকল্পের খসড়া মহাপরিকল্পনার ওপর চলমান জনমত গ্রহণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ মতবিনিময়ের আয়োজন করা হয়।

সভায় সিডিএর চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেহায়েত হোসেন, চউকের সচিব মো. জামিলুর রহমান এবং মাস্টারপ্ল্যান প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. আবু ঈসা আনসারী উপস্থিত ছিলেন। পরিকল্পিত চট্টগ্রাম ফোরামের পক্ষে জেরিনা হোসেন, ফারুক আহমেদ, মো. শাহীনুর ইসলাম খান, ড. মো. মনজুরুল কিবরীয়া, প্রকৌশলী দেওয়ান মজুমদারসহ বিভিন্ন পেশাজীবী প্রতিনিধি অংশ নেন।

সভায় প্রকল্প পরিচালক মো. আবু ঈসা আনসারী খসড়া মহাপরিকল্পনার ওপর বিস্তারিত উপস্থাপনা দেন। এতে প্রকল্পের পটভূমি, পরিকল্পনা এলাকা, প্রণয়ন প্রক্রিয়া এবং খসড়া মহাপরিকল্পনায় থাকা গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনা ও প্রস্তাবনা তুলে ধরা হয়।

পরে পরিকল্পিত চট্টগ্রাম ফোরামের প্রতিনিধিরা খসড়া মহাপরিকল্পনার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। তারা নগরের দীর্ঘমেয়াদি ও পরিকল্পিত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে মহাপরিকল্পনাটি বাস্তবভিত্তিক ও কার্যকর করার ওপর গুরুত্ব দেন। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অংশীজনের মতামত যথাযথভাবে প্রতিফলনের দাবি জানান।

মতবিনিময়ে নগরের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন, পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কার্যকারিতা এবং বিভিন্ন পরিকল্পনাগত বিষয় নিয়ে উন্মুক্ত আলোচনা হয়। ফোরামের পক্ষ থেকে দেওয়া মতামত ও সুপারিশগুলো মহাপরিকল্পনা চূড়ান্ত করার সময় পর্যালোচনা ও বিবেচনায় নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেহায়েত হোসেন বলেন, একটি কার্যকর ও বাস্তবসম্মত মহাপরিকল্পনা প্রণয়নে নগর পরিকল্পনাবিদ, প্রকৌশলী, পেশাজীবী, নাগরিক সমাজ ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনের অভিজ্ঞতা ও মতামত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছ থেকে পাওয়া যৌক্তিক ও বাস্তবসম্মত মতামত পর্যালোচনা করে চট্টগ্রামের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের জন্য একটি সমন্বিত মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সভায় চট্টগ্রামের পরিকল্পিত উন্নয়নে সরকারি প্রতিষ্ঠান, পেশাজীবী সংগঠন, নাগরিক সমাজ ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় ও সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

এমআর/বিআরইউ