ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নাক, কান ও গলা (ইএনটি) বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. আসাদুর রহমান (৫৫) হামলায় আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় জীবন নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (১৭ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর শান্তিনগরের পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের চেম্বার থেকে বের হয়ে সিএনজি অটোরিকশায় ওঠার কিছু সময় পর হামলার শিকার হন তিনি। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কেবিন ব্লকের ৪ নম্বর কেবিনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পুলিশের একটি সূত্র জানায়, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক অধ্যাপক আসাদুর রহমান পপুলার হাসপাতাল থেকে রাতে বের হওয়ার পর সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠেন তিনি। কিছুদূর যেতেই তাকে অটোরিকশা থেকে নামিয়ে মারপিট করেন বেশ কয়েকজন। পরে ঘটনাস্থল থেকে জীবন নামে এক যুবককে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তি জানান, এক মাস আগে ভুল চিকিৎসা দেওয়ার কারণে ওই চিকিৎসককের ওপর হামলা করেন রোগীর স্বজন ও বন্ধুরা।
পুলিশের সূত্র থেকে আরও জানা যায়, আহত চিকিৎসক এবং গ্রেপ্তার জীবন দুই জনের বাড়ি লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ থানা এলাকায়। এই ঘটনায় চিকিৎসা দেওয়ার কোনো ঘটনা বা অন্য কোনো ঘটনা আছে কিনা সে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। পরে পল্টন থানায় একটি মামলা দায়েরের পর জীবনকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
হামলার শিকার ওই চিকিৎসককে মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দেখতে যান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা কামাল খান বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নাক, কান ও গলা বিভাগের চিকিৎসক অধ্যাপক আসাদুরের ওপর হামলার ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে এবং একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তি বলেছেন, একজন রোগীকে ‘ভুল চিকিৎসা’ দেওয়া হয়েছে- এমন ক্ষোভ থেকে তারা এ হামলা চালিয়েছেন। গ্রেপ্তার ব্যক্তি ওই রোগীর বন্ধু বলে পুলিশের কাছে দাবি করেছেন।
এসএএ/এসএইচএ
