জাতীয় সংসদের সদস্যদের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থনে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছে দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (সিসিসিআই)।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় চিটাগাং চেম্বারের সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন জানিয়ে একটি পত্র পাঠান। এতে চট্টগ্রামসহ দেশের ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তা সমাজের পক্ষ থেকে তাকে শুভেচ্ছা জানানো হয়।
অভিনন্দনপত্রে মোহাম্মদ আমিরুল হক বলেন, ছাত্ররাজনীতি দিয়ে শুরু করে শিক্ষকতা এবং পরবর্তী সময়ে জাতীয় রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার মেয়র থেকে সংসদ সদস্য, প্রতিমন্ত্রী, মন্ত্রী এবং রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়া মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের গৌরবোজ্জ্বল অভিযাত্রা। তার পারিবারিক মূল্যবোধ, সততা, নিষ্ঠা, ধৈর্য, মেধা, প্রজ্ঞা ও আদর্শের পাশাপাশি সৌজন্যবোধ, সদালাপী ও মৃদুভাষী স্বভাব তাকে সর্বজনশ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
চিটাগাং চেম্বার সভাপতি বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিচক্ষণতা, দূরদর্শিতা ও অভিজ্ঞতা রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তার নেতৃত্বে দেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো আরও সুদৃঢ় হবে এবং দেশ শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
অভিনন্দনপত্রে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শিল্পায়ন ও জাতীয় অর্থনীতির বিকাশে রাষ্ট্রপতির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার সুযোগ রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়। ২০৩৪ সাল নাগাদ বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বেসরকারি খাত, বিনিয়োগ ও শিল্পায়নের অবদান অপরিসীম বলে চিটাগাং চেম্বার মনে করে।
ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তাদের জন্য অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি, ব্যবসা পরিচালনা সহজ করা, পরিচালন ব্যয় কমানো, বিনিয়োগের আস্থা বৃদ্ধি, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ উৎসাহিত করা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে রাষ্ট্রপতির অভিভাবকত্ব গুরুত্বপূর্ণ বলেও পত্রে উল্লেখ করা হয়।
বিশেষ করে অর্থনীতির প্রবেশদ্বার চট্টগ্রামের বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা ও প্রণোদনা নিশ্চিত করে জাতীয় অর্থনীতির গতি ত্বরান্বিত করতে রাষ্ট্রপতির মূল্যবান দিকনির্দেশনা ও পৃষ্ঠপোষকতা কামনা করেন চিটাগাং চেম্বারের সভাপতি।
দেশের স্বার্থে এবং জাতীয় অর্থনীতির বিকাশে বেসরকারি খাতের অবদান নিশ্চিত করতে ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির বাস্তবমুখী দিকনির্দেশনা প্রত্যাশা করেন তিনি।
এমআর/এমএসএ
