ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, বাংলাদেশের ক্রিকেটের অগ্রযাত্রায় আরাফাত রহমান কোকোর গুরুত্বপূর্ণ ও দূরদর্শী অবদান রয়েছে। কোকোর স্মৃতি ধরে রাখতে তার ক্রীড়া ভাবনা ও আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। ক্রীড়া ও তারুণ্যের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে একটি সুস্থ, ঐক্যবদ্ধ ও আধুনিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।
শনিবার (২২ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
ফকির মাহবুব আনাম বলেন, আরাফাত রহমান কোকো শুধু একজন ক্রীড়া সংগঠক ছিলেন না। তিনি উপলব্ধি করেছিলেন, একটি জাতিকে বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে হলে ক্রীড়াঙ্গনে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের বিকল্প নেই। বাংলাদেশের ক্রিকেট আজ বিশ্বমঞ্চে যে অবস্থান তৈরি করেছে, তার ভিত্তি রচনায় কোকোর নিঃস্বার্থ ও দূরদর্শী ভূমিকা স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
মন্ত্রী বলেন, ‘ক্রীড়া, ঐক্য ও তারুণ্য’ এই তিনটি শক্তিকে কাজে লাগিয়েই আমরা আগামীর উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারি। প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানে তরুণদের বিকাশের পাশাপাশি তাদের সুস্থ শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। আইসিটি ও বিজ্ঞানে বিশ্বকে নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি খেলাধুলাতেও বাংলাদেশের জন্য গৌরব বয়ে আনবে, এমন তরুণ সমাজ গড়ে তুলতে হবে।
বাংলাদেশের ক্রিকেটের উন্নয়নে আরাফাত রহমান কোকোর অবদান নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার ওপর গুরুত্ব দিয়ে ফকির মাহবুব আনাম বলেন, কোকোর স্মৃতি শুধু আনুষ্ঠানিকভাবে স্মরণের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে হবে না। ক্রীড়াক্ষেত্রে তার অবদান ও স্বপ্ন বাস্তবায়নের মধ্য দিয়েই তার স্মৃতি দীর্ঘস্থায়ী করতে হবে। ক্রিকেটের পাশাপাশি অন্যান্য খেলাধুলার ক্ষেত্রেও এ উদ্যোগ সম্প্রসারণ করতে হবে।
ক্রীড়ার মাধ্যমে তরুণদের মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রেখে দেশ ও জাতির জন্য ইতিবাচক শক্তিতে পরিণত করা সম্ভব উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, একটি দেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করে তরুণ প্রজন্মের ওপর। তাই প্রযুক্তি, বিজ্ঞান ও শিক্ষার পাশাপাশি তরুণদের খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে হবে। এর মধ্য দিয়ে আত্মবিশ্বাসী, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও দেশপ্রেমিক প্রজন্ম গড়ে উঠবে।
আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদের সভাপতি সাইফুল ইসলাম রাশেদের সভাপতিত্বে সভায় সংগঠনের নেতারা ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
আরএইচটি/এসএএস
