বিজ্ঞাপন

সিডিএর অভিযানে মিলল অব্যবস্থাপনা

আবাসিক ভবনে হাসপাতাল, পার্কিংয়ে দোকান

আবাসিক ভবনে হাসপাতাল, পার্কিংয়ে দোকান

চট্টগ্রাম নগরের স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ভবন নির্মাণের অনুমোদিত নকশা অমান্য করা এবং পার্কিংয়ের জায়গায় দোকানপাট ও সিলিন্ডার বসিয়ে রাখাসহ চরম অব্যবস্থাপনার চিত্র উঠে এসেছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) অভিযানে। 

সোমবার (২৪ আগস্ট) নগরের পাঁচটি হাসপাতাল ও একটি স্কুলে এ অভিযান চালান সিডিএ চেয়ারম্যান।

অভিযান সূত্রে জানা গেছে, নগরের ল্যানসেট হাসপাতালে পরিদর্শনে গিয়ে দেখা যায়, সম্পূর্ণ আবাসিক ভবনেই চলছে হাসপাতাল কার্যক্রম। ভবনে পর্যাপ্ত পার্কিং ব্যবস্থা তো নেই-ই, উল্টো পার্কিংয়ের নির্ধারিত স্থানে বসানো হয়েছে দোকানপাট। পাশাপাশি অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থারও চরম ঘাটতি দেখা যায়। এ অবস্থায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে পরিবেশ উন্নয়ন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে এক মাসের সময় বেঁধে দিয়েছে সিডিএ। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সুরাহা না হলে ভবনটির বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়।

একই অভিযানে ট্রিটমেন্ট হাসপাতালে দেখা যায়, পার্কিংয়ের জায়গায় রাখা হয়েছে বিপজ্জনক সিলিন্ডার। পর্যাপ্ত পার্কিং সুবিধা না থাকায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে অনুমোদিত নকশাসহ দ্রুত চউক কার্যালয়ে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে শেভরন হাসপাতালের বেজমেন্টে গাড়ি রাখার সুবিধা থাকলেও নিচতলায় নকশা অনুযায়ী নির্ধারিত পার্কিংয়ের দেখা মেলেনি। নিচতলায় অনুমোদন মেনে পার্কিং নিশ্চিত করতে এবং রোগীদের যানবাহন চলাচলের উপযোগী পরিবেশ তৈরিতে প্রতিষ্ঠানটিকে তিন মাসের সময় দেওয়া হয়েছে।

অভিযানের সময় বেলভিউ হাসপাতালের কার্যক্রম পুরোপুরি চালু না হলেও সেখানকার সার্বিক পার্কিং ব্যবস্থা নিয়ে মোটামুটি সন্তোষ প্রকাশ করা হয়। তবে অ্যাম্বুলেন্সের নির্ধারিত স্থানে পার্কিং না থাকায় দ্রুত তা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

হাসপাতালগুলোর পাশাপাশি উৎসব সুপারমার্কেট কর্তৃপক্ষকে আগামীকালের মধ্যে অনুমোদিত নকশাসহ চউক কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়েছে। এছাড়া কোনো ধরনের পার্কিং ব্যবস্থাপনা না থাকা আল হিদায়াহ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে আগামী এক মাসের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অঙ্গীকারনামা নেওয়া হয়েছে।

সিডিএ কর্তৃপক্ষ জানায়, নগরের সুশৃঙ্খল পরিবেশ ও যানজট নিরসনে নকশা ব্যত্যয়কারী ভবনের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান সামনেও অব্যাহত থাকবে।

জেডএস