বিজ্ঞাপন

নিউজ শেয়ার করায় সরানো হলো, দাবি পুলিশ কর্মকর্তার

নিউজ শেয়ার করায় সরানো হলো, দাবি পুলিশ কর্মকর্তার

যুগান্তর পত্রিকার একটি নিউজ শেয়ার করায় দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিম। তিনি পুলিশের বিশেষ শাখায় ছিলেন।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে তাকে খাগড়াছড়ির এপিবিএন ও বিশেষায়িত ট্রেনিং সেন্টারে বদলি করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের উপসচিব তৌছিফ আহমেদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে তাকে বদলির কারণ জানানো হয়নি। 

বদলির পর নিজের ভেরিফাইড পেইজে পোস্টটি শেয়ার করে রেজাউল করিম লিখেছেন, ‘আমার কাজ আর বাংলাদেশ পুলিশের প্রয়োজন নেই। পুলিশ ডিপার্টমেন্টে কেন ভাল কাজ করতে অফিসাররা উৎসাহিত হন না তার আরেকটা উদাহরণ তৈরি হল আমার পোস্টিং দিয়ে। আলহামদুলিল্লাহ, বিগত ১৫ বছরের চাকরিতে ৯ বছর ছিলাম ডাম্পিং পোস্টিংয়ে, কিছুই মনে করিনি, এখনও মনে করব না। শুধু এটুকুই বলব এই ডিপার্টমেন্ট তেলবাজদের জন্যই ফিট। আমার মতো উচিৎ কথা বলা, সাহস নিয়ে সত্য বলা, নিয়ম মেনে কাজ করা অফিসারের কদর এই ডিপার্টমেন্ট করতে পারবে না। ১০০% সততা, স্বচ্ছতা নিয়ে কাজ করেও যদি এই রেজাল্ট পেতে হয়, তাহলে আর আমার কিচ্ছু বলার নেই। এই ডিপার্টমেন্ট আমার জন্য নয়। অন্যায়কে মেনে নেওয়ার চেয়ে সংযুক্ত থাকাই শ্রেয়। আমার আর বোধ হয় চাকরি করা হল না। ভাল থাকবেন সবাই।’

তিনি আরও লিখেছেন, ‘অনেকেই জানতে চাইবেন আসলে কেন এই অর্ডার। আমি যতটুকু জানতে পেরেছি কয়েকদিন আগে আমাদের পদায়ন নিয়ে যুগান্তরে একটি নিউজ হয়েছিল সেটা আমি শেয়ার দিয়েছিলাম, আর পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের একজন সিনিয়র অফিসার এটা নিয়ে আমাকে জিজ্ঞেস করলে আমি তার জবাব দিয়েছিলাম। পরে অবশ্য সেই শেয়ার দেওয়া নিউজ আমি ডিলিট করে দিয়েছিলাম। কিন্তু তারপরও আমাকে সংযুক্ত করা হল। এটাই বাংলাদেশ পুলিশে কাজের মূল্যায়ন। ভাল থাকুক বাংলাদেশ পুলিশ, ভাল থাকুক সেই সব তথাকথিত ভাল অফিসাররা।’

মো. রেজাউল করিম ২৯তম বিসিএস ব্যাচে ২০১১ সালে যোগদান করেন, সারদার প্রশিক্ষণ শেষ হওয়ার পর প্রথম পোস্টিংই করা হয় মুক্তাগাছা এপিবিএন এ, তারপর টানা ৯ বছর ট্যুরিস্ট পুলিশ, এপিবিএন, এভসেক, ইনসার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার, কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশে কাজ করেন।

এআর/বিআরইউ