নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের মতামতের ভিত্তিতে নারীর প্রতি সব ধরনের বৈষম্য বিলোপ সনদ বা সিডও শ্যাডো রিপোর্টের খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। আগামী ৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদনটি জাতিসংঘের সিডও কমিটির কাছে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের ঢাকাস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের আনোয়ারা বেগম মুনিরা খান মিলনায়তনে সিটিজেনস ইনিশিয়েটিভস অন সিডও, বাংলাদেশ (সিআইসি-বিডি) আয়োজিত ভ্যালিডেশন কর্মশালায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেমের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বক্তব্য দেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু। সভায় সকলের মতামতের ভিত্তিতে প্রণীত সিডও শ্যাডো রিপোর্টের খসড়া উপস্থাপন করেন জেন্ডার বিশেষজ্ঞ ফেরদৌসী সুলতানা বেগম।
খসড়া প্রতিবেদন উপস্থাপনের পর নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উইমেন ফর উইমেনের সভাপতি জাকিয়া কে. হাসান, ওয়ার্ল্ড ভিশনের স্ট্রেলা রুপা, বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সালমা আলী, জাতিসংঘ সিডও কমিটির সাবেক সদস্য ফেরদৌস আরা বেগম, প্রাগ্রস্বরের ফওজিয়া খন্দকার, নারীপক্ষের কামরুন নাহার, বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘের নাসরিন বেগম, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের শারমিন আক্তার, ডেমোক্রেসি ওয়াচের সানজিদা দীপ্তি, বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা সমিতির হালিমা বেগম, গণস্বাক্ষরতা অভিযানের শামসুন নাহার, স্টেপ টুওয়ার্ডস ডেভেলপমেন্টের শাহিদা ফেরদৌসি, বি-স্ক্যানের মোহাম্মদ ইফতেখার মাহমুদ এবং আইডির সঞ্চিতা তালুকদার বক্তব্য দেন।
এ ছাড়া বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের উম্মে সালমা বেগম, রেখা সাহা, পারভীন ইসলাম ও সিউতি সবুরসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা আলোচনায় অংশ নেন। মুক্ত আলোচনা শেষে বক্তব্য দেন ইউএন উইমেনের তপতী সাহা।
আলোচনায় অংশ নেওয়া প্রতিনিধিদের মতামত ও সুপারিশ বিবেচনায় নিয়ে সিডও শ্যাডো রিপোর্টের খসড়া চূড়ান্ত করা হয়। পরে প্রতিবেদনটি আগামী ৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জাতিসংঘের সিডও কমিটির কাছে পাঠানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
কর্মশালায় অ্যাকশন এইড বাংলাদেশ, ওয়াইডব্লিউসিএ অব বাংলাদেশ, দীপ্ত ফাউন্ডেশন, এএলআরডি, বাংলাদেশ নারী শ্রমিক কেন্দ্র, কর্মজীবী নারী, জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরাম ও বাউশিসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের নেত্রী ও কর্মকর্তাসহ কর্মশালায় প্রায় ৫২ জন উপস্থিত ছিলেন।
জেইউ/আরএফ
