বিজ্ঞাপন

ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, বাড়তে পারে সুরমা-কুশিয়ারার পানি

ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, বাড়তে পারে সুরমা-কুশিয়ারার পানি

আগামী তিন দিন সিলেটসহ দেশের চার বিভাগে মাঝারি-ভারী থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। এতে সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। তবে বর্তমানে দেশের সব প্রধান নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

রোববার (৩০ আগস্ট) বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (বাপাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী ও দায়িত্বরত কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল জিহানের দেওয়া বৃষ্টিপাত ও নদ-নদীর পরিস্থিতি এবং পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ-উত্তর উড়িষ্যা উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি একই এলাকায় অবস্থান করছে। এটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ঘনীভূত হতে পারে।

আবহাওয়া সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, আগামী তিন দিন দেশের অভ্যন্তরে সিলেট, ময়মনসিংহ, রংপুর ও চট্টগ্রাম বিভাগ এবং তৎসংলগ্ন উজানে মাঝারি-ভারী থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে।

গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি সমতল বেড়েছে। আগামী তিন দিনও এসব নদীর পানি বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।

এদিকে ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদ-নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় স্থিতিশীল রয়েছে। আগামী এক দিন পানি স্থিতিশীল থাকতে পারে। তবে পরবর্তী চার দিন পানি বাড়তে পারে।

অন্যদিকে গঙ্গা নদীর পানি সমতল গত ২৪ ঘণ্টায় স্থিতিশীল থাকলেও পদ্মা নদীর পানি বেড়েছে। আগামী পাঁচ দিন এসব নদীর পানি স্থিতিশীল থাকতে পারে। ব্রহ্মপুত্র-যমুনা, গঙ্গা ও পদ্মাসহ এসব নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে।

উত্তরাঞ্চলের তিস্তা ও ধরলা নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় স্থিতিশীল রয়েছে। অন্যদিকে দুধকুমার নদীর পানি কমেছে। আগামী এক দিন এসব নদীর পানি স্থিতিশীল থাকতে পারে। তবে পরবর্তী দুই দিন পানি বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

পূর্বাঞ্চলীয় ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় চট্টগ্রাম বিভাগের গোমতী নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে। অপরদিকে মুহুরী, সেলোনিয়া ও ফেনী নদীর পানি বেড়েছে। আগামী দুই দিন এসব নদীর পানি কমতে পারে। এরপর তৃতীয় দিন আবার পানি বাড়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

এমএইচএন/জেডএস

বিজ্ঞাপন