বিজ্ঞাপন

মাল‌য়ে‌শিয়ার শ্রমবাজার

সিন্ডিকেট বা সাব-সিন্ডিকেট নয়, সব বৈধ এজেন্সিকে সুযোগ দি‌তে হ‌বে

সিন্ডিকেট বা সাব-সিন্ডিকেট নয়, সব বৈধ এজেন্সিকে সুযোগ দি‌তে হ‌বে

মাল‌য়ে‌শিয়ার শ্রমবাজা‌রে সব বৈধ এজেন্সির জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা ও সিন্ডিকেটে জড়িত এজেন্সি বাদ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নসহ পাঁচ দাবি জানিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল মাইগ্রেন্টস অ্যালাইন্সের অধীনে অভিবাসন কর্মীদের নিয়ে কাজ করা ১০টি সংগঠন।

সোমবার (৩১ আগস্ট) ঢাকার নিউ ইস্কাটনে সেন্টার ফর ওমেন অ্যান্ড চিলড্রেন স্টাডিজের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক যৌথ সভায় এসব দাবি জানানো হয়।

সভায় উইথনেস ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক পারভেজ সিদ্দিকি বলেন, গত ২৯ আগস্ট প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে মোট ৩৩৮টি এজেন্সি কাজ করবে। ২৫টি সরাসরি, ৩১২টি সহযোগী হিসেবে। আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, ২৫টি মূল ও ৩১২টি সহযোগী এজেন্সির এই স্তরভিত্তিক কাঠামো প্রকৃত সংস্কার নয়, বরং সিন্ডিকেটের একটি নতুন রূপ। যেখানে নিয়ন্ত্রণ ও মূল্য নির্ধারণের ক্ষমতা এখনও মুষ্টিমেয় হাতে কেন্দ্রীভূত থাকে। 

তি‌নি ব‌লেন, আমরা কোনো সংখ্যার সিন্ডিকেটই চাই না। দেশের সকল বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির জন্য সমান ও উন্মুক্ত সুযোগ থাকতে হবে। মালয়েশিয়া শুধুমাত্র বাংলাদেশের ক্ষেত্রে যেটা ক‌রে‌ছে নেপাল, পাকিস্তান বা মিয়ানমারের ক্ষেত্রে তা করেনি। সুতরাং যে চুক্তিতে মালয়েশিয়া বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এটা করেছে আমরা মনে করি, সেই চুক্তিটি এই মুহূর্তে বাংলাদেশের জন্য উপযুক্ত নয়। সেই চুক্তিটি অবশ্যই সংশোধন করতে হবে।

১০টি সংগঠনের ম‌ধ্যে র‌য়ে‌ছে: সেন্টার ফর ওমেন অ্যান্ড চিলড্রেন স্টাডিজ, উইথনেস ফাউন্ডেশন, ওকাপ, আইএমএ রিসার্চ ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ অভিবাসী মহিলা শ্রমিক অ্যাসোসিয়েশন, অনির্বান, শিল্ড, সম্মিলিত শ্রমিক ফেডারেশন, পল্লী সোসাইটি ও কক্সবাজার প্রবাসী ফোরাম।

সভায় সভাপ‌তিত্ব ক‌রেন সেন্টার ফর ওমেন অ্যান্ড চিলড্রেন স্টাডিজের প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ইসরাত জাহান।

সংগঠনগু‌লোর ৫ দা‌বি

১) যেকোনো সংখ্যার সিন্ডিকেট বা সাব-সিন্ডিকেট কাঠামো প্রত্যাখ্যান করে সব বৈধ এজেন্সির জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা।

২) সিন্ডিকেটে জড়িত এজেন্সি বাদ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি স্বচ্ছভাবে ও যাচাইযোগ্যভাবে বাস্তবায়ন করা। 

৩) ঘোষিত ১০ হাজার জিরো-কষ্ট নিয়োগ স্বাধীনভাবে যাচাই করে ধীরে ধীরে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়ায় সম্প্রসারণ করা।

৪) আটকে পড়া শ্রমিকদের সম্পূর্ণ টাকা অবিলম্বে ফেরত দেওয়া।

৫) মালয়েশিয়ায় নিরাপদ কর্মপরিবেশ, মর্যাদা ও অভিযোগ জানানোর সহজ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।

এনআই/আরএফ