দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের ক্রিসেন্ট লেকে মাছের পোনা অবমুক্ত করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তবে পোনা অবমুক্ত করার সময় মরা মাছ ছাড়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) জিয়া উদ্যানের লেকের বেইলি ব্রিজসহ কয়েকটি স্থানে নিজ হাতে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।
ভিডিওতে প্রধানমন্ত্রীকে মরা মাছের দিকে ইঙ্গিত করে কিছু একটা বলতে শোনা যায়। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর মাছগুলো কেন মারা গেল, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন ওঠে।
এ বিষয়ে মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনক জানান, প্রধানমন্ত্রীর পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচিটি মৎস্য অধিদপ্তরের দায়িত্বে ছিল না।
তিনি বলেন, “সম্প্রতি কটিয়াদিতে মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী পোনা অবমুক্ত করেছেন। সেখানে কোনো ব্যত্যয় হয়নি। তবে আজ কারা এর দায়িত্বে ছিল, আমরা জানি না।”
প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি জানান, বিএনপির অঙ্গসংগঠন জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের দায়িত্বে পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচিটি সম্পন্ন হয়েছে।
এ বিষয়ে জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের সাবেক সদস্যসচিব আবদুর রহিম বলেন, “সোমবার রাত ৩টায় নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর থেকে পোনা সংগ্রহ করা হয়েছে। সেখান থেকে ভোর সাড়ে ৬টার দিকে পোনা মাছের গাড়ি পৌঁছায় জিয়া উদ্যান এলাকায়। প্রধানমন্ত্রী পোনা অবমুক্ত করার প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা আগে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তারা মাছের অক্সিজেন খুলে ফেলেন।”
তিনি বলেন, “নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে তারা পোনা মাছ থেকে পলিথিনগুলো খুলে ফেলেন। তাদের বোঝানোর চেষ্টা করেছি; কিন্তু তারা প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। এর ফলে কিছু মাছ মারা গেছে।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা ৩০-৪০ কেজি মাছ এনেছিলাম। বেশির ভাগ মাছই ভালো ছিল।”
এএএম/এসএমডব্লিউ
