বিজ্ঞাপন

বিএসসিপিএলসি

দেশে ব্যান্ডউইডথ সংকট নেই, ইন্টারনেটের দাম বাড়ারও শঙ্কা নেই

দেশে ব্যান্ডউইডথ সংকট নেই, ইন্টারনেটের দাম বাড়ারও শঙ্কা নেই

দেশে ব্যান্ডউইডথ সংকট বা এর দাম বাড়ার কোনো আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি)। 

প্রতিষ্ঠানটির দাবি, দেশের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ ব্যান্ডউইডথ চাহিদা পূরণে প্রয়োজনীয় সক্ষমতা রয়েছে এবং আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইডথ সরবরাহে বর্তমানে কোনো ঘাটতি নেই।

সম্প্রতি দেশের ব্যান্ডউইডথ সংকট, ইন্টারনেটের দাম বৃদ্ধি এবং গতি কমে যাওয়ার আশঙ্কা নিয়ে প্রকাশিত সংবাদকে ‘বিভ্রান্তিকর ও বাস্তবতা বিবর্জিত’ বলে দাবি করেছে বিএসসিপিএলসি।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, দেশের ভবিষ্যৎ চাহিদার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বিদ্যমান দুটি ট্রাস্টেড সাবমেরিন ক্যাবল ব্যবস্থার পাশাপাশি আরও একটি ট্রাস্টেড সাবমেরিন ক্যাবল ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বর্তমানে দেশে সিমিইউ চার ও পাঁচ নম্বর ক্যাবল ব্যবস্থা চালু রয়েছে। এগুলোর সম্মিলিত সক্ষমতা প্রায় ৭ হাজার ২০০ জিবিপিএস। এর মধ্যে প্রায় ৪ হাজার জিবিপিএস ব্যান্ডউইডথ বর্তমানে দেশে সরবরাহ করা হচ্ছে। আরও প্রায় ৩ হাজার ২০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইডথ সরবরাহের সক্ষমতা রয়েছে।

বিএসসিপিএলসির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৭ সালে নতুন সিমিইউ ছয় নম্বর ক্যাবল ব্যবস্থা চালু হলে এর মাধ্যমে মোট ৩৪ হাজার জিবিপিএস ব্যান্ডউইডথ সরবরাহের সক্ষমতা অর্জিত হবে। একই সময়ে রাষ্ট্রায়ত্ত সমুদ্রতলদেশীয় ক্যাবলগুলোর মোট ব্যান্ডউইডথ সক্ষমতা দাঁড়াবে প্রায় ৪১ হাজার জিবিপিএস।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, ২০৩০ সালে দেশে ব্যান্ডউইডথের মোট চাহিদা হবে প্রায় ৩০ হাজার জিবিপিএস। ফলে ২০২৭ সাল নাগাদ রাষ্ট্রায়ত্ত সমুদ্রতলদেশীয় ক্যাবলগুলোর যে সক্ষমতা তৈরি হবে, তা দিয়েই দেশের ভবিষ্যৎ ব্যান্ডউইডথ চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে বিএসসিপিএলসি।

প্রতিষ্ঠানটি আরও জানিয়েছে, দেশের আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইডথের চাহিদা পূরণে সমুদ্রতলদেশীয় ক্যাবলের পাশাপাশি ছয়টি আন্তর্জাতিক স্থলভিত্তিক কেবল অপারেটরের মাধ্যমে প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যান্ডউইডথ আমদানি করা হচ্ছে। ফলে দেশের চাহিদা অনুযায়ী আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইডথ সরবরাহ অব্যাহত রাখার সুযোগ রয়েছে।

এ ছাড়া চতুর্থ সমুদ্রতলদেশীয় ক্যাবল ব্যবস্থায় যুক্ত হওয়ার কার্যক্রমও ইতোমধ্যে শুরু করেছে বিএসসিপিএলসি। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে দেশের আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইডথ সরবরাহ সক্ষমতা আরও বাড়বে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

বিএসসিপিএলসি বলছে, দেশের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ ব্যান্ডউইডথ চাহিদা পূরণে তারা সম্পূর্ণ প্রস্তুত। আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইডথ সরবরাহে বর্তমানে কোনো ঘাটতি নেই এবং ভবিষ্যতেও কোনো ঘাটতির সম্ভাবনা নেই। এমন অবস্থায় এ ধরনের বিভ্রান্তিকর প্রচারে বিচলিত না হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

আরএইচটি/এমএসএ 

বিজ্ঞাপন