উত্তরাঞ্চলের ১৬টি জেলার মধ্যে পঞ্চগড়ে কোনো সারের সংকট নেই বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। তবে বেশ কিছু ডিলারের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকায় স্থানীয় জেলা প্রশাসনের তৎপরতায় তা রোধ করা সম্ভব হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলা পরিষদ চত্বরের পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ এবং শিশুদের সাঁতার প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা জানান।
বিভিন্ন জায়গায় সারের তেলেসমাতি করা হচ্ছে দাবি করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের সরকারকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে। উত্তরাঞ্চলের ১৬টি জেলার মধ্যে পঞ্চগড়ে কোনো সারের সংকট নেই। তবে, বেশ কিছু ডিলারের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকায় স্থানীয় জেলা প্রশাসনের তৎপরতায় তা রোধ করা সম্ভব হয়েছে।
স্বচ্ছতার সঙ্গে আরও ডিলার নিয়োগ দেওয়া হবে জানিয়ে ফরহাদ হোসেন বলেন, স্বচ্ছতার সঙ্গে আরও ডিলার নিয়োগ দেওয়া হবে যাতে আমাদের কৃষকেরা প্রয়োজনীয় সার নিতে পারেন এবং হয়রানির শিকার না হন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সার নিয়ে আমরা উদ্যোগ নিয়েছি। এটি এই মাসেই বাস্তবায়িত হবে। তখন আর সার নিয়ে হয়রানি হতে হবে না, সংকটও সৃষ্টি হবে না।
তিনি বলেন, এ বছর ৪১ লাখ ফ্যামিলি কার্ড আমাদের মায়েদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। এছাড়া, ৪৩ লাখ কৃষক কার্ড দেওয়া হবে।
ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের ভাতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পাশাপাশি ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতার জন্য প্রতিটি ইউনিয়নে ১৩টি করে মসজিদ নির্ধারণ করা হয়েছে। সেখানে ইমাম-মুয়াজ্জিনরা ভাতা পাবেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বিএনপি সরকার গঠনের ছয় মাস হলো। আপনারা দেখবেন, বিশেষ করে সরকার গঠনের ঠিক ১০ দিনের মাথায় ইরান যুদ্ধ শুরু হয়। সেই যুদ্ধের কারণে শুধু বাংলাদেশ নয়, সারা বিশ্বেই তেলের সংকট তৈরি হয়েছে। সে সময় প্রতিটি দেশেই তেলের দাম বেড়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী তেলের দাম বাড়াননি।
বিরোধী দলের চলমান লংমার্চ প্রসঙ্গ টেনে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিরোধী দল আজ লংমার্চ করছে। আপনারা করতেই পারেন। কিন্তু এই লংমার্চ করতে গিয়ে হাজার হাজার লিটার তেল খরচ হয়, সেই তেল আপনারা কোথায় পান? কাজেই আজকের বাস্তবতা স্বীকার করতে হবে।
এএইচআর/জেআই
