গত ৩০ আগস্টের ঘটনা। চার বছরের শিশু সাইবা ছিল মায়ের হাতের কাছেই। তার আবদার ছিল, জুতা কিনে দিতে হবে। মেয়ের আবদার পূরণে তাকে নিয়ে বনানী সৈনিক ক্লাবের সামনের ফুটওভার ব্রিজের গোড়ায় যান মা বিথী আক্তার। সেখানে সাইবাকে দাঁড় করিয়ে পাশের ফুটপাতে জুতা কেনায় মনোযোগ দেন তিনি। সময় লেগেছিল মাত্র ৫ মিনিট। ফিরে এসে দেখেন সাইবা নেই!
শুরু হয় খোঁজাখুঁজি, থানায় ছুটে যাওয়া, অভিযোগ জানানোর চেষ্টা। কিন্তু নিখোঁজ শিশুকে খুঁজে দেওয়ার চেষ্টা কিংবা অভিযোগ নেওয়ার বদলে পরপর দুদিন বনানী থানা পুলিশ একরকম দুর দুর করে তাড়িয়ে দেন মা বিথীকে।

বিথী আক্তার ঢাকা পোস্টকে বলেন, ‘নিখোঁজের দিনই (রোববার) বনানী থানায় গিয়েছিলাম। প্রথমে থানা থেকে বলা হয়, নিজেদের মতো করে আগে খুঁজতে। অভিযোগ দিতে চাইলে তারা আমার অভিযোগ নেয়নি। জিডি না নিয়ে আমাকে ধমক দিয়া বাইর কইরা দেয়। পুলিশের কেউ কোনো কথা শুনতে চাননি। পরের দিন সোমবার আবার সকালে থানায় গেলে তখনও আমাকে তারা থানা থেকে তাড়িয়ে দেয়। পরে আমার মাকে খবর দিলে তিনি আসেন। তাকে নিয়ে ওই দিন বিকেলে আবার থানায় যাই। তখনও তারা আমার জিডি নেয়নি।’ এর পরের দিন অবশ্য তাদের জিডি নেওয়া হয়।
নিখোঁজ শিশু সাইবার নানী শরীফা বেগম জানান, সাইবা নিখোঁজ হয় ৩০ আগস্ট বিকেল ৫টার দিকে। আর বনানী থানা পুলিশ জিডি নেয় দুদিন পর ১ সেপ্টেম্বর বিকেল ৪টায়।
তিনি বলেন, জিডির আইও (তদন্তকারী কর্মকর্তা) আমাকে আলাদা ডেকে নিয়ে সরাসরি বলেন, ‘বাচ্চা খুঁজে বের করা পুলিশের কাজ নয়, আমাদের অন্যান্য কাজ আছে; আপনারা নিজেরা খোঁজ পেলে জানাবেন, আমরা গিয়ে উদ্ধার করে দেব।’

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সামাজিক সংগঠন ‘মুন এলার্ট’ আয়োজিত হারিয়ে যাওয়া শিশুদের খুঁজে পেতে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন অনেক অভিযোগ তোলেন ভুক্তভোগী অভিভাবক ও স্বজনরা।
সংবাদ সম্মেলনে অন্তত দুই ডজন নিখোঁজ শিশুর স্বজনরা বক্তব্য দেন। বক্তব্য দেওয়ার সময় তাদের অনেকে কান্নায় ভেঙে পড়েন। অনেকে আহাজারি করেন। বুকের মানিককে ফিরে পেতে তারা প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি কামনা করেন।
নিখোঁজ শিশুর সন্ধান চেয়ে জিডি নিতে অনীহা কেন পুলিশের?
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ তুলে ধরে জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) মোহাম্মদ ওসমান গণি ঢাকা পোস্টকে, ‘যারা অভিযোগ করেছেন, তারা কোন কোন থানায় গিয়ে অসহযোগিতা পেয়েছেন তা জানতে পারলে সুবিধা হতো। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে ভেরিফাই করে তারপর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আগে সুনির্দিষ্ট তথ্য জানতে হবে।’
একই বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশের এআইজি (মিডিয়া) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন ঢাকা পোস্টকে বলেন, শিশু নিখোঁজের বিষয়টি অবশ্যই গুরুত্ব দিয়ে এবং সংবেদনশীলতার সঙ্গে দেখার জন্য মাঠ পর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের নির্দেশনা দেয়া আছে। পুলিশ উদ্ধারে তৎপরও আছে। কারও বিরুদ্ধে যদি কোনো ভুক্তভোগী পরিবার অভিযোগ করেন যে জিডি নিতে অনীহা বা অসহযোগিতা করেছে কোনো থানা, পুলিশ তাহলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেবে। এসব সংবেদনশীল বিষয়ে ইন্টারনালি পুলিশ তথ্য সংগ্রহ করে থাকে।

তিনি আরও বলেন, অনেকে অনেক পারসেপশন থেকে অভিযোগ করে থাকেন। এ কারণে অনলাইন জিডির ব্যবস্থা করা হয়েছে। অনলাইন জিডি কিন্তু গ্রহণের ক্ষেত্রে কোনো বিলম্বের সুযোগ নেই।
পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য মতে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত দেশে ১৫ হাজার ৭১৭ শিশু নিখোঁজ হয়েছে। এর মধ্যে ১৩ হাজার ৬৭৯ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছে ২ হাজার ৩৮ জন, যা মোট নিখোঁজ শিশুর প্রায় ১৩ শতাংশ।
পুলিশের ওই তথ্যে জানা যায়, গত জানুয়ারি থেকে জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত শূন্য থেকে নয় বছর বয়সী শিশু নিখোঁজের ঘটনায় ৪৭৪টি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হয়েছে। এর মধ্যে ৪০৬ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো উদ্ধার হয়নি ৬৮ জন। অন্যদিকে, ১০ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশু নিখোঁজের ঘটনায় জিডি হয়েছে ১৫ হাজার ২৪৩টি। এর মধ্যে ১৩ হাজার ২৭৩ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো উদ্ধার হয়নি ১ হাজার ৯৭০ জন।
তবে জিডির তদন্তকারী (আইও) কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, শিশু উদ্ধারই শুধু পুলিশের কাজ না, আরও অনেক কাজ আছে। নিখোঁজ শিশুর স্বজনদের নিজেদের মতো খোঁজার পরামর্শ দেয়ারও অভিযোগ রয়েছে। এমনটি পুলিশ করতে পারে কিনা? জানতে চাইলে এআইজি (মিডিয়া) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন ঢাকা পোস্টকে বলেন, ‘এমনটি বলার সুযোগ নাই। শিশু উদ্ধারে জিডি নেয়াই শুধু না, উদ্ধার করাও পুলিশের কাজ। যিনি এটা বলছেন, ঠিক বলেন নাই। অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নিবো।’
মুন এলার্টের সংবাদ সম্মেলন শেষে শিশু সাইবার নানী শরীফা বেগম বলেন, ওই তদন্ত কর্মকর্তা আমাদের পরামর্শ দেন যে, আমরা যেহেতু বস্তিতে থাকি এবং গরিব মানুষ, তাই প্রভাবশালী কোনো স্থানীয় নেতাকে ধরলে কাজ হতে পারে। কারণ সাধারণ মানুষের কথা কেউ শুনবে না। পুলিশের এই অমানবিক মনোভাব দেখে আমি স্পষ্ট জানিয়ে দিই আমরা টাকা দিতে না পারলেও সবাইকে সেবা দেওয়া এবং নিখোঁজ শিশু উদ্ধার করা পুলিশেরই আইনি দায়িত্ব। আর আমরাই যদি বাচ্চা খুঁজে পাই তবে পুলিশের কোনো প্রয়োজন থাকে না। এরপর তিনি (তদন্ত কর্মকর্তা) খোঁজ নেওয়ার আশ্বাস দিয়ে চলে যান। এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেছে, কিন্তু পুলিশ আর কোনো ধরনের যোগাযোগ বা ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত জিডির তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. বিল্লাল হোসেন বলেন, আমি জিডির কপি পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি। কিন্তু যেখানে শিশুটি নিখোঁজ হয়েছে সেখানে কোনো সিসিটিভি না থাকায় এখনো ফুটেজ সংগ্রহ করতে পারিনি। এ ছাড়া আমাদের যা করনীয় তা আমরা করেছি।
ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে অবহেলার অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘না এমন কিছু করিনি, আমাদের সাধ্যমতো আমরা চেষ্টা করছি।’
একেক শিশু নিখোঁজ একেকভাবে, পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রায় একই
মুন এলার্টের সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের বিরুদ্ধে অনীহা ও অসহযোগিতার অভিযোগ তোলেন আরও অনেকে। তাদের একেকজনের কাছে একে গল্প। সব গল্প স্বজন হারানোর, সব গল্পে আছে ক্ষোভ।
যেমন, গত বছরের ২৬ আগস্ট খুলনা কয়রার বাজার থেকে কন্যা সামিরাকে হারিয়ে ফেলা বিলকিস বেগম।
বিলকিস বেগম সংবাদ সম্মেলনে জানান, তিনি বাজারের একটি মিষ্টির দোকানে যান এবং সামিরা পিছু পিছু বাজারে আসে। সামিরা পেছন থেকে 'আম্মু' বলে ডাক দিলে বিলকিস বেগম তাকে বাড়ি ফিরে যেতে বলেন। এরপর শিশুটি হাসতে হাসতে তার কাকার ভাজাপোড়ার দোকানের দিকে হেঁটে যায়। এরপর সে আর বাড়ি ফিরে আসেনি। পরবর্তীতে সন্ধ্যা গড়ালে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, 'আজমির' নামে ১৯ বছর বয়সী এক যুবক ভ্যানের ওপর বসিয়ে সামিরাকে মিষ্টি কিনে খাইয়েছিল। এর পর থেকেই শিশুটির আর কোনো সন্ধান মেলেনি।
বিলকিস বেগম (২৭) বলেন, আজমিরের কাছে জানতে চাইছিলাম, প্রথমে বিষয়টি সম্পূর্ণ অস্বীকার করে। পরে স্থানীয়দের দাবির মুখে কয়রা থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে আজমিরকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। তবে সামিরাকে আর ফিরে পাইনি।
পুলিশের দায়িত্বহীনতা ও গাফিলতির কারণে মূল আসামি ছাড়া পেলেও নিজের সন্তানকে ফিরে না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন নিখোঁজ শিশুর মা বিলকিস বেগম।

তিনি বলেন, কয়রা থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের মুখে আজমির শিশুটিকে চেনার কথা স্বীকার করলেও পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার না করে সামান্য জিডি করে ছেড়ে দেয়। এমনকি আসামি থানায় বসেই ওসির ফোন ব্যবহার করে বাইরে কথা বলে এবং পুলিশ 'তথ্য পাওয়ার অযুহাতে' তাকে তিন দিনের সময় দিয়ে মুক্ত করে দেয়। এরপর তাকে আর আটক করা হয়নি।
তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ঘটনার শুরুতেই কয়রা থানা পুলিশ তাকে রিমান্ডে নিয়ে কঠোর জিজ্ঞাসাবাদ করলে নিখোঁজ সামিরাকে উদ্ধার করা সম্ভব হতো।
এদিকে, ঢাকার মিরপুর-১১ এলাকা থেকে গত ১৩ মে শিশু মোহাম্মদ ইব্রাহিম নিখোঁজ হয়। আজও তার খোঁজ মেলেনি।
ইব্রাহিমের বাবা মোহাম্মদ জসিম পেশায় ফুচকা বিক্রেতা। তিনি ঢাকা পোস্টকে বলেন, গত ১৩ মে আমার ছেলে ইব্রাহিম নিজ বাসা থেকে অপহৃত হয়। আমার ছেলে ৭টা ৪০ মিনিটে বাসার ভবনে ঢোকে। বিল্ডিং থেকে ছেলেকে আর বের হতে দেখা যায়নি সিসি ক্যামেরায়।
তিনি বলেন, ১৩ মে আমার ছেলে গুম হয়। পল্লবী থানা প্রথমে জিডি নেয় নাই। সকালে আসেন, বিকেলে আসেন করে করে জিডি নেয় ১৫ মে। জিডি করার পর ওনারা শুধু ঘুরান। এভাবে ১৭ দিন ঘুরিয়ে মামলা নিয়ে পুলিশ তদন্ত ছেড়ে দেয় ডিবির হাতে।
তিনি বলেন, ‘রাতের একটা বাজেও থানা থেকে আসছি। থানায় আমরা এতোবার গেছি আসছি যে, ছেলে হারাইয়া আমি অপরাধী হয়েছি। পুলিশ প্রশাসনের কোন সাড়া পাই নাই।’
প্রধানমন্ত্রী কাছে আবেদন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এই গরিবের পাশে দাঁড়ান আমি রাস্তায় একজন ফুচকা বিক্রেতা। আমার এরকম টাকা পয়সা খরচ করার মতো কিছু নেই। আমার সন্তানকে যেন আমি খুঁজে পাই এটাই আপনার কাছে আবেদন।’
রাজবাড়ী থেকে ঢাকায় এসেছেন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য মো. নজরুল ইসলাম। তিনি গত বছরের ২০ মে তার শিশু সন্তান তামিমকে হারানোর পর আর খোঁজ পাননি।
তিনি বলেন, ২০২৫ সালের ২০ মে ছিল মঙ্গলবার। প্রতিদিনের মতো সে সকালবেলা স্কুলের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। যথারীতি প্রতিদিনের মতো স্কুল থেকে ফেরত আসার কথা। তবে বিকেল ৩টায় খোঁজ পাই স্কুলের সে অনুপস্থিত, স্কুলে যায় নাই। সব শিশু স্কুল থেকে চলে আসছে। আমার শিশু স্কুলে মিসিং হাজিয়া খাতায়। আত্মীয়স্বজনসহ সব সার্কেলে খোঁজ করেও ছেলের সন্ধান পাইনি।
তিনি বলেন, ‘পুলিশ প্রশাসনে আমি নিজেও চাকরি করছি। ১৬ মাস পথে পথে দৌড়াইতে দৌড়াইতে মন মানসিকতা কোন কিছুই ঠিক নাই। পুলিশের কাছে দৌড়াইছি। নিজে সাবেক সদস্য হয়েও পুলিশের কাছে তেমন সাহায্য সহযোগিতা পাইনি। প্রথম প্রথম কিছুদিন তারা ইজ্জত দিছে। কথাবার্তা ভালো বলছে। মাসখানেক পার হতেই তাদের কাছে গেলে পরে মনে হয় যে আমি কি জন্য অন্যায় করে আসছি। তাদের কাছে কোন সম্মান পাই নাই।’

তিনি বলেন, ‘২০২২ সালে রিটায়ার্ড করছি পুলিশ থেকে অসুস্থতার কারণে। এই অবস্থায় আমি একমাত্র সন্তানকে খুঁজতে খুঁজতে শেষ। বাংলাদেশের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত খুঁজে বেড়াইছি, কোথাও তার সন্ধান পাইনি। কবিরাজ, হুজুর, জ্বীন সব চেষ্টা শেষ। এসব করে দৌড়াইতে এ পর্যন্ত ২৫ লক্ষাধিক টাকা শেষ। রিটায়ার্ড করে যা পাইছিলাম সব শেষ। এখন আপনাদের মাধ্যমে আমি একটা মেসেজ দিতে চাচ্ছি। আমার হাতে তেমন কিছু নাই। কেউ যদি আমার ছেলেকে আমার কাছে ফিরায় দিতে চায়। দয়া করে দেন। সবার কাছে দেশবাসীর কাছে অনুরোধ করছি। আমার যা কিছু আছে আমি সবকিছু দিয়ে দেবো। আমি রাস্তায় নেমে যাব। আমি আমার সন্তানকে চাই...।’
সংবাদ সম্মেলনে এরকম অন্তত দুই ডজন ভুক্তভোগী পরিবারের স্বজনরা কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ৩৫ ভুক্তভোগী পরিবার।
মুন এলার্ট সংগঠনের সূত্রে জানা গেছে, কার্যক্রম চালুর পর থেকে এখন পর্যন্ত তাদের কাছে শিশু নিখোঁজের অভিযোগ এসেছে ১ হাজার ২২৬টি। এর মধ্যে আট শ'র অধিক শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে পুলিশের সহযোগিতায়। এসব অভিযোগ পাওয়ার পর এখন পর্যন্ত এলার্ট জারি করা হয়েছে ১৭১টি এবং এলার্ট দেওয়ার পর ১১৯ জন উদ্ধার হয়েছে।
মুন অ্যালার্টের প্রধান সমন্বয়কারী সাদাত রহমান বলেন, ‘আমরা চাই বিশ্বের উন্নত দেশে শিশু নিখোঁজের বিষয়টি যেভাবে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হয় এবং সে অনুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় সে পদ্ধতি আমাদের দেশে যুক্ত করে শিশুদের উদ্ধার করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক। আমাদের লক্ষ্য একটাই, শিশু নিখোঁজের ঘটনায় যেনো জিডি শূন্যের কোঠায় নেমে আসে। সেজন্য সরকার থেকে শুরু করে সকল স্টেকহোল্ডারদের সম্মিলিত ভাবে কাজ করতে হবে।’
জেইউ/এমএল/জেআই
