বিজ্ঞাপন

ভুয়া লোনের ওয়েবসাইট খুলে প্রতারণা, ৬১ সিমসহ গ্রেপ্তার তরুণ

ভুয়া লোনের ওয়েবসাইট খুলে প্রতারণা, ৬১ সিমসহ গ্রেপ্তার তরুণ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ডিজিটাল লোন দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগে মেহেদী হাসান মাহিন (১৯) নামে এক তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
 
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে জামালপুরের সরিষাবাড়ী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি ল্যাপটপ, চারটি মোবাইল ফোন এবং বিভিন্ন ব্যক্তির নামে নিবন্ধিত ৬১টি অবৈধ সিম কার্ড জব্দ করা হয়।
 
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন এসব তথ্য জানান।

তিনি জানান, প্রতারক চক্রটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘গ্রামীন লোন’ নামের একটি প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আকর্ষণীয় ডিজিটাল লোনের বিজ্ঞাপন দিত। বিজ্ঞাপনে দেওয়া যোগাযোগমাধ্যমে লোনপ্রত্যাশীরা যোগাযোগ করলে তাদের নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্ট খুলতে বলা হতো। পরে লোন অনুমোদনের শর্ত হিসেবে আবেদন করা লোনের ১০ শতাংশ টাকা জামানত হিসেবে বিকাশ, নগদ বা রকেটের মাধ্যমে পাঠাতে বলা হতো। একই সঙ্গে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে জাতীয় পরিচয়পত্রের ছবিও সংগ্রহ করত চক্রটি।
 
তিনি আরও জানান, জামানতের টাকা পাঠানোর পর ভুক্তভোগীর জন্য তৈরি করা ভুয়া ড্যাশবোর্ডে আবেদন করা লোন ও জামানতের অর্থ ভার্চুয়ালি দেখানো হতো। তবে বাস্তবে ওই অর্থ উত্তোলনের কোনো সুযোগ ছিল না। প্রতারণার কাজে চক্রটি বিভিন্ন ব্যক্তির নামে নিবন্ধিত অবৈধ সিম ব্যবহার করতো। এ ঘটনায় রমনা মডেল থানায় একটি মামলা করা হয়। মামলাটি তদন্তকালে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সরিষাবাড়ীতে অভিযান চালিয়ে মাহিনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অভিযানে জব্দ করা ডিভাইসগুলোতে ‘গ্রামীন লোন’ নামের ফেসবুক পেজ ও ওয়েবসাইটের ড্যাশবোর্ড সক্রিয় লগইন অবস্থায় পাওয়া গেছে। গ্রেপ্তার মেহেদী হাসান মাহিনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এমএসি/এনএফ

বিজ্ঞাপন