বন্ধ পাটকলের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আত্তীকরণের সুপারিশ

Dhaka Post Desk

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

০৫ অক্টোবর ২০২১, ০৯:৩৯ পিএম


বন্ধ পাটকলের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আত্তীকরণের সুপারিশ

বন্ধ হয়ে যাওয়া পাটকলের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মান ও মর্যাদা অনুযায়ী মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত বিভিন্ন বিভাগে আত্তীকরণের সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি। 

আজ (মঙ্গলবার) জাতীয় সংসদে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এমন সুপারিশ করা হয়ছে বলে জানা গেছে।

গত ডিসেম্বরে রাষ্ট্রায়ত্ত ২৫টি পাটকল বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এতে প্রায় ২৫ হাজার শ্রমিককে অবসরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।

মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত বৈঠকে বস্ত্র ও পাটকল মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, বন্ধ পাটকলের কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের বিভিন্ন জায়গায় আত্তীকরণ কিংবা গোল্ডেন হ্যান্ডশেকের বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। তবে, আত্তীকরণের বিষয়টিই মন্ত্রণালয়ের অগ্রাধিকার রয়েছে। কারণ হিসাবে বলা হয়, বন্ধ পাটকলের ২৯০০ কর্মকর্তা এবং কর্মচারী রয়েছে। কিন্তু মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন বিভাগে তিন হাজারের বেশি পদ শূন্য রয়েছে। এগুলোকে কিভাবে সমন্বয় করা যায় সেই চিন্তাভাবনা করছেন তারা। তবে এখনও চূড়ান্ত কিছু হয়নি।

মন্ত্রণালয় বলেছে, যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে। কারণ, চাকরির মান ও মর্যাদা অনুযায়ী আত্তীকরণ হয়ে থাকে। সেগুলো বিবেচনা করেই করা হবে।

সংসদীয় কমিটির সভাপতি মির্জা আজম বলেন, আমরা চাচ্ছি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের যেন আত্তীকরণের মাধ্যমে রেখে দেওয়া হয়। এ বিষয়ে আমাদের সুপারিশ রয়েছে।

তিনি বলেন, পাটকলের কাছে চাষীদের ২৫২ কোটি পাওনা আছে। যা পরিশোধের জন্য বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে অর্থ চাওয়া হয়েছে।  

সংসদ সচিবালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বৈঠকে বাংলাদেশ পাটকল কর্পোরেশনের বন্ধ থাকা সকল মিল শ্রমিক/কর্মচারীর পাওনা, বিভিন্ন ক্রয় কেন্দ্রে পাটের পাওনা টাকার পরিমাণ, মিলগুলি ভাড়া প্রদানের সর্বশেষ অগ্রগতি এবং শেখ হাসিনা স্পেশালাইজড জুট মিল ও শেখ হাসিনা নকশি পল্লীর সর্বশেষ অগ্রগতি বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

শেখ হাসিনা স্পেশালাইজড জুট মিল ও শেখ হাসিনা নকশি পল্লী অনুমোদিত প্রকল্প দুটির কাজ তাড়াতাড়ি সময়ে শুরু করে বর্তমান সংসদের মেয়াদেই শেষ করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

আরও বলা হয়, বৈঠকে বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনের বন্ধ থাকা সকল মিল শ্রমিক/কর্মচারীর তথ্যগত মার্জনযোগ্য ভুল উপেক্ষা করে মানবিক বিবেচনায় যথাসম্ভব দ্রুত তাদের পাওনা পরিশোধের সুপারিশ করা হয়।

কমিটির সভাপতি মির্জা আজমের সভাপতিত্বে বৈঠকে আরও অংশ নেন- কমিটির সদস্য বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, রনজিত কুমার রায়, নজরুল ইসলাম চৌধুরী, শাহীন আক্তার, আব্দুল মমিন মন্ডল, তামান্না নুসরাত বুবলী ও মোহাম্মদ হাবিব হাসান।

এইউএ/এনএফ

Link copied