‘বিএনপির অশোভন বক্তব্যে নারী নেতাদের সোচ্চার হতে দেখিনি’

Dhaka Post Desk

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ০৭:০৩ পিএম


‘বিএনপির অশোভন বক্তব্যে নারী নেতাদের সোচ্চার হতে দেখিনি’

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি নেতারা অশোভন কথা বললেও তাদের বিরুদ্ধে তাদের দল কখনো ব্যবস্থা নেয়নি। বিবৃতিও দেয়নি।  এমনকি নারী নেতা যারা মুরাদ হাসানের ক্ষেত্রে সোচ্চার হয়েছেন, বিএনপির অশোভন বক্তব্যের বিরুদ্ধে তাদের সোচ্চার হতে দেখিনি।

বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে এক অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। 

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে শিশু-কিশোরদের রচনা ও কুইজ প্রতিযোগিতা ‘তারুণ্যের তর্জনী’র পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান আয়োজন করে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশন (বাসককফ)। 

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান খান এবং সংসদ সদস্য ড. আনোয়ার হোসেন খান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন। 

উপস্থিতদের উদ্দেশে ড. হাছান বলেন, আপনারা ইন্টারনেটে দেখেছেন, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, ইশরাক হোসেন, যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এম এ মালেকের অশোভন কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য। এ বিষয়ে বিএনপি কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। 

তিনি বলেন, এম এ মালেক ইউকে থেকে যে ভাষায় বক্তব্য রেখেছেন, এরপর কি তার দলীয় পদ থাকা উচিত ছিল? সেসব এখনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাওয়া যায়। তাকে তো দল থেকে বাদ দেওয়া হয়নি। এর অর্থ যারা এ ধরনের কর্মকাণ্ড করে ও নোংরা কথাবার্তা বলে, বিএনপি তাদের পৃষ্ঠপোষকতা করে। তাই মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবকে বলব, আয়নায় নিজের দিকে তাকানোর জন্য। নিজের গায়ে দুর্গন্ধ মেখে অপরের দুর্গন্ধ খোঁজা উচিত না।

তিনি আরও বলেন, ডা. মুরাদ হাসানের সাম্প্রতিক কিছু বক্তব্য, কর্মকাণ্ড নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়েছে। যেহেতু সেগুলো সরকার এবং দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করেছে, সেজন্য প্রধানমন্ত্রী তাকে পদত্যাগ করতে বলেছেন। তাকে জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের দলীয় পদ থেকেও বহিষ্কার করা হয়েছে।
 
হাছান মাহমুদ বলেন, সরকারি দলের কেউ বললে অবশ্যই প্রতিবাদ হবে, হওয়াটাই স্বাভাবিক। সেই ক্ষেত্রে আমাদের সরকার কিংবা দল যে কাউকে ছাড় দেয় না, সেই প্রমাণ সবাই পেয়েছে। কিন্তু বিএনপির ক্ষেত্রে সবাই কেন নিশ্চুপ ছিলেন- সেটিই আমার প্রশ্ন। 
 
বাসককফ সভাপতি হেদায়েত হোসেনের সভাপতিত্বে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি লুৎফর রহমান খান ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দের বক্তৃতা শেষে অতিথিরা বিজয়ী প্রতিযোগীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন ।

এসএইচআর

Link copied