কিছু করতে পারছি না, খালেদার বিদেশযাত্রা বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

Dhaka Post Desk

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৯ ডিসেম্বর ২০২১, ০৬:১৬ পিএম


কিছু করতে পারছি না, খালেদার বিদেশযাত্রা বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বক্তব্য রাখছেন আসাদুজ্জামান খান কামাল

‘বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিষয়ে আইনমন্ত্রী তার নথিতে বলেছেন, আইনে বিদেশ পাঠানোর কোনো সুযোগ নেই। কাজেই আমরা কিছু করতে পারছি না।’ 

বুধবার চট্টগ্রামের চান্দগাঁওয়ে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। 

এসময় কক্সবাজারে নারী পর্যটক ধর্ষণের অভিযোগ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘কক্সবাজারের ঘটনায় মামলা নথিভুক্ত হয়েছে। এটি তদন্তাধীন। তদন্তাধীন মামলা সম্পর্কে আমরা কোনো মন্তব্য করতে পারি না। তদন্ত শেষে দোষীদের বিরুদ্ধে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ১৯৭১ সালের ২৭ মার্চ দুপুরে বেতারে আমি মেজর জিয়ার আহ্বানটি শুনলাম। তিনি প্রথমে নিজে থেকেই অনেক কিছু বললেন। পরে অবশ্য সংশোধনী দিয়ে বঙ্গবন্ধুর নামে ঘোষণা দিয়েছিলেন। এটি হলো সত্যিকারের ঘটনা। কিন্তু এটিকে বিকৃত করে বিএনপি নেতারা কতভাবে ব্যবহার করেছেন, সত্যের অপলাপ করেছেন, তা শুনলে জিয়াউর রহমান নিজেই লজ্জা পেতেন। কারণ জীবিত অবস্থায় কখনো তিনি কখনো এ ধরনের উচ্চবাচ্য করেননি। তার মৃত্যুর পর আমরা অনেক কিছুই দেখেছি। অনেক কিছু সহ্য করেছি। 

তিনি বলেন, ১৫ আগস্ট হৃদয়বিদারক ঘটনার কথা যখন বাংলাদেশের মানুষ স্মরণ করে, শিউরে উঠে। তখন খালেদা জিয়া আবিষ্কার করলেন, তার জন্ম তারিখ ১৫ আগস্ট। আমাদের ভাবতেও কষ্ট হয়। ভাবতেও রক্তক্ষরণ হয়। অথচ তার জন্ম তারিখ ৫ সেপ্টেম্বর। ইতিহাস জানতে হবে, ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিতে হবে।’ 

চট্টগ্রাম-৭ সংসদীয় এলাকা চান্দগাঁও, পূর্ব ষোলশহর, মোহরা, পাঁচলাইশ, পশ্চিম ষোলশহর ও আমিন শিল্পাঞ্চল আওয়ামী লীগের যৌথ উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। 

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সংসদ সদস্য মোছলেম উদ্দিন আহম্মদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহাতাব উদ্দিন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন, মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসিনা মহিউদ্দিনসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা। 

কেএম/আরএইচ/জেএস

Link copied