Dhaka Post

ঢাকা শুক্রবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১

একুশের চেতনায় খালেদাকে মুক্ত করতে চায় বিএনপি

Dhaka Post Desk

নিজস্ব প্রতিবেদক

২০ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২১:১১

একুশের চেতনায় খালেদাকে মুক্ত করতে চায় বিএনপি

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

একুশের চেতনায় ‘গৃহবন্দি’ খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। 

তিনি বলেছেন, একুশের চেতনার উত্তরাধিকারী হয়ে দেশের সংগ্রামী মানুষকে সঙ্গে নিয়ে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা ও গণতন্ত্র পুনরুজ্জীবিত করতে আমরা শিগগিরই খালেদা জিয়াকে আমরা মুক্ত করবো। শনিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির কেন্দ্রীয় দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা বলেন বিএনপি মহাসচিব। 

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ৫২’র ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার ঘোষণার বিরূপ প্রতিক্রিয়ায় তৎকালীন পূর্ব বাংলার জনগণের মধ্যে গভীর ক্ষোভের জন্ম হয়। পূর্ব বাংলার মানুষ আকস্মিক ও অন্যায্য এ সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেনি। ফলস্বরূপ বাংলা ভাষাকে সমমর্যাদার দাবিতে পূর্ব-বাংলায় আন্দোলন দ্রুত দানা বেঁধে ওঠে। ৫২’র আন্দোলন বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গণদাবির চূড়ান্ত প্রকাশ।

মির্জা ফখরুল বলেন, অধিকার আদায় ও অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে ভাষা শহীদরা আমাদের প্রেরণার উৎস। মাতৃভাষার জন্য জীবন উৎসর্গ করে তারা আত্মত্যাগের যে গৌরবদীপ্ত দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন, তার ফলাফল সুদূরপ্রসারী। তাদের আত্মত্যাগের ধারাবাহিকতায় গণতান্ত্রিক ও স্বাধিকার আন্দোলনের পথ ধরে আমরা অবতীর্ণ হয়েছি স্বাধীনতা যুদ্ধে। প্রতিষ্ঠিত করেছি স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ। স্বজাত্যবোধ ও অধিকারবোধের চেতনাকে শাণিত করেছিল মহান একুশে ফেব্রুয়ারি। সেই চেতনা নস্যাৎ করে একদলীয় শাসনের জগদ্দল পাথর আজ জনগণের কাঁধে চাপানো হয়েছে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ২০১৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর মধ্যরাতের নির্বাচনে ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে জনগণকে প্রতারিত করা হয়েছে, যা খোলাখুলি কারচুপির এক ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত। গণতন্ত্রকে সমাহিত করে এই দুঃশাসন দীর্ঘায়িত করতে অবৈধ শক্তির জোরে সাজানো মিথ্যা মামলায় খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে সাজা দিয়ে বন্দি করে রাখা হয়েছিল প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য। এখন তিনি গৃহবন্দি। তার সব মৌলিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, শহীদের মহিমান্বিত অবদানের কারণে অমর একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে সারাবিশ্বে পালিত হচ্ছে। জাতি হিসেবে এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের। আমাদের ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে অধিকতর সমৃদ্ধশালী করে তুলতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে, যাতে সমৃদ্ধ সংস্কৃতিসম্পন্ন জাতি হিসেবে আমরা বিশ্ব সভায় মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারি।

এএইচআর/আরএইচ

Link copied