বিজ্ঞাপন

কাফনের কাপড় পরে পল্টনে সমাবেশে নেতাকর্মীরা

কাফনের কাপড় পরে পল্টনে সমাবেশে নেতাকর্মীরা

‌‘খালেদা জিয়ার মুক্তি, নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি মানতে হবে, বিএনপির অ্যাকশন ডাইরেক্ট অ্যাকশন’ স্লোগান দিয়ে দলে দলে পল্টনে সমাবেশে আসছেন নেতাকর্মীরা। একদল নেতাকর্মীকে কাফনের কাপড় পরে সমাবেশে আসতে দেখা গেছে।

সরকার পতনের এক দফা দাবিতে চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে বুধবার (১৮ অক্টোবর) রাজধানীতে সমাবেশে ডাক দিয়েছে বিএনপিসহ যুগপৎ আন্দোলনের শরিক ৩৬টি রাজনৈতিক দল। 

বিএনপির সমাবেশ দুপুর ২টা থেকে শুরুর কথা থাকলেও সকাল থেকেই দলে দলে আসতে শুরু করেছেন দলীয় নেতাকর্মীরা। 

সরেজমিনে দেখা যায়, ঢাকাস্থ বরিশাল বিভাগীয় জাতীয়তাবাদী কেন্দ্রীয় ফোরামের ব্যানার হাতে কাফনের কাপড় পরে সমাবেশস্থলে যোগ দেন একদল নেতাকর্মী। মিছিলে তাদের স্লোগানে স্লোগানে উঠে আসে খালেদা জিয়ার মুক্তি, নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন, সরকারের পদত্যাগের দাবি।

কাফনের কাপড় পরে সমাবেশে আসা ঢাকাস্থ বরিশাল বিভাগীয় জাতীয়তাবাদী কেন্দ্রীয় ফোরামের সভাপতি এনামুল হক মোল্লাহ বলেন, সরকারের হালে পানি নেই। আজকের পর থেকে সরকার পতনের এক দফা দাবি আদায়ে মাঠে থাকবে জাতীয়তাবাদী জাগ্রত জনতা। আমরা কাফনের কাপড় পরে এসেছি। সরকারকে একটা ম্যাসেজ দিতে চাই। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি, সরকারের পতন না ঘটা পর্যন্ত আমরা ঘরে ফিরব না। 

dhakapost

সমাবেশ উপলক্ষ্যে সকাল ৭টার কিছু পর থেকে পিকআপ ভ্যানে অস্থায়ী মঞ্চ তৈরির কাজ শুরু হয়। আশপাশের সড়কে লাগানো হয় মাইক। আর সমাবেশে অংশ নেওয়া সাধারণ নেতাকর্মীদের বসার জন্য সড়কে বিছানো হয়েছে কার্পেট। আর অপেক্ষাকৃত সিনিয়র নেতাদের বসার জন্য কিছু চেয়ারও রাখা হয়েছে। 

ঢাকা মহানগর বিএনপির আয়োজিত এই সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখবেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এছাড়া দলের স্থায়ী কমিটির নেতারাও সমাবেশে অংশ নেবেন। 

বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, সমাবেশ থেকে একদিনের কর্মসূচির ঘোষণা আসতে পারে। দুর্গাপূজার পর আগামী ২৮ অক্টোবর রাজধানীতে মহাসমাবেশ কর্মসূচি দেবে বিএনপি। সেই সমাবেশ থেকে সরকারের পদত্যাগের চূড়ান্ত আন্দোলনের ধারাবাহিক কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

এদিকে বিএনপির এই সমাবেশকে কেন্দ্র করে গতকাল মঙ্গলবার রাতে রাজধানী থেকে দলটির ২০ জনের বেশি নেতাকর্মীকে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গ্রেপ্তার করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সমাবেশ নিয়ে সরকারের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা নানান অপ্রচার চালাচ্ছে অভিযোগ করেছিলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

জেইউ/এমএ

বিজ্ঞাপন