নির্বাচনী নথি গায়েবের অভিযোগে উদ্বেগ প্রকাশ জামায়াত প্রার্থীর

ঢাকা-৬ সংসদীয় আসনে নির্বাচনী অফিস সংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগ রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে গায়েব হয়ে যাওয়ার অভিযোগ তুলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ড. আবদুল মান্নান।
তিনি অভিযোগ করেন, আইনজীবীর মাধ্যমে যথাযথ প্রক্রিয়ায় জমা দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী নথি রহস্যজনকভাবে উধাও হওয়ায় সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) দাঁড়িপাল্লা প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পর নির্বাচনী অফিস সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগ করেছেন তিনি।
ড. আবদুল মান্নান বলেন, ব্রিফিংয়ের সময় বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে তিনি একটি লিখিত অভিযোগ দেন। গত ১৪ জানুয়ারি জমা দেওয়া ওই অভিযোগে উল্লেখ ছিল—ঢাকা-৬ আসনের সবগুলো নির্বাচনী অফিস বিএনপি প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক আহমেদের নিজস্ব ভবনে ভাড়া নেওয়া হয়েছে। অভিযোগপত্রটি রিসিভিং কপিসহ জমা দেওয়া হলেও আজ পর্যন্ত রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ওই নথি দেখাতে পারেনি কেউ।
তার অভিযোগ, সাধারণ শাখায় কর্মরত রবিউল নামের এক কর্মচারী ওই নথি সরিয়ে ফেলেছেন। বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি সন্তোষজনক কোনো উত্তর দিতে পারেননি বলেও দাবি করেন জামায়াত প্রার্থী। পরে পুনরায় আগের রিসিভিং কপি ফরওয়ার্ড করে নতুন করে আরেকটি রিসিভিং নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, একটি নির্বাচনী কার্যালয় থেকে আইনজীবীর মাধ্যমে জমা দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ আইনি নথি কীভাবে গায়েব হয়ে যায়—এটা গুরুতর প্রশ্ন। এখনই যদি এমন অবস্থান থাকে, তাহলে অসাধু কর্মকর্তাদের মাধ্যমে কীভাবে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে—সে প্রশ্ন আমরা জনগণের সামনে তুলছি।
এ বিষয়ে তিনি সিটি কর্পোরেশন (সিসি) কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান। রিটার্নিং কর্মকর্তার প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে ড. আবদুল মান্নান বলেন, তিনি আগেই বিষয়টি জানালে রিটার্নিং কর্মকর্তা তা দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। প্রতীক বরাদ্দ শেষে বিষয়টি আবারও তাকে অবহিত করা হবে বলে জানান তিনি।
এমএমএইচ/জেডএস