খুলনায় ইসলামী আন্দোলনের নারী কর্মীদের ওপর হামলা, জড়িতদের শাস্তি দাবি

খুলনায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নারী কর্মীদের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে জড়িতদের অবিলম্বে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে দলটি।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে দলের যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, খুলনা-১ আসনের দাকোপ থানার পানখালী ইউনিয়নের লক্ষ্মীখোলা গ্রামে এক ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে। আজ সকাল ১১টার দিকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী মাওলানা আবু সাঈদের সমর্থনে প্রচারণা চালানোর সময় নারী কর্মীদের ওপর বর্বরোচিত হামলা চালায় একদল দুর্বৃত্ত।
বিবৃতিতে জানানো হয়, মহিলা দাওয়াতি দলের প্রধান রোজিনা বেগমসহ দলের ১১-১২ জন সদস্যকে একটি ঘরে আটকে রেখে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং শারীরিক ও মানসিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করছে।
ঘটনার বিবরণ দিয়ে মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, প্রচারণার সময় কর্মীরা লক্ষ্মীখোলা গ্রামের জনৈক হরমুজ শেখের বাড়ির কাছে পৌঁছালে তিনি তাদের ভেতরে আসার আহ্বান জানান। সরল বিশ্বাসে কর্মীরা বাসায় প্রবেশ করলে হরমুজ শেখ, ইলিয়াস ও আমানুল্লাহসহ কয়েকজন তাদের একটি ঘরে অবরুদ্ধ করে ফেলেন। এসময় তারা সংগঠন সম্পর্কে কটূক্তি করে এবং লাঠিসোঁটা ও জ্বালানি কাঠ দিয়ে নারী কর্মীদের এলোপাতাড়ি মারধর করে। এতে রোজিনা বেগমসহ প্রায় ১২ জন কর্মী গুরুতর আহত হন।
ঘটনা জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দাকোপ উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ আহতদের উদ্ধার করে দাকোপ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। আহতদের মধ্যে রোজিনা বেগমের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
মাওলানা গাজী আতাউর রহমান আরও বলেন, অভিযুক্তদের ঔদ্ধত্য সীমা ছাড়িয়ে গেছে। তারা নারী কর্মীদের ওপর হামলা করে জঘন্য অপরাধ করেছে। আমরা প্রশাসনকে স্পষ্ট বলতে চাই, অবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। অন্যথায় আমরা কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হব।
জেইউ/এমএন