চাঁদাকে কি জাতীয়করণের ঘোষণা দেওয়া হলো, সরকারকে প্রশ্ন জামায়াত আমিরের

সড়ক পরিবহন খাতে সমঝোতার ভিত্তিতে অর্থ আদায়কে চাঁদাবাজি বলা যাবে না– এমন মন্তব্যের পর সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তার এ মন্তব্য নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান প্রশ্ন তুলেছেন, তাহলে কি নবগঠিত সরকারের সড়ক ও সেতুমন্ত্রীর মাধ্যমে চাঁদাকে জাতীয়করণের ঘোষণা দেওয়া হলো। তাহলে কীভাবে দুর্নীতির টুটি চেপে ধরা হবে?
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে জামায়াত আমির এ প্রশ্ন তোলেন।
রাষ্ট্রের দায়িত্বে থাকা একজন মন্ত্রীর মুখে এমন বক্তব্য দুর্নীতির বিরুদ্ধে ঘোষিত অবস্থানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কি না তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ডা. শফিকুর রহমান। ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘ব্যাকরণ কিছুই বোঝা যাচ্ছে না। সূচনাতেই বাংলাদেশ কোন দিকে যাচ্ছে?’
চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, ‘প্রিয় জনগণ, চাঁদার কালো থাবা থেকে বাঁচতে হলে লড়তে হবে। এ লড়াইয়ে আপনাদের সঙ্গে আমরা আছি, ইনশাআল্লাহ।’
এর আগে বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পরিবহন খাতে অর্থ আদায় নিয়ে কথা বলেন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তার ভাষ্য অনুযায়ী, মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নামে যে অর্থ তোলা হয়, সেটিকে তিনি ‘চাঁদাবাজি’ হিসেবে দেখেন না। তিনি দাবি করেন, এসব অর্থ মালিক-শ্রমিকদের সমঝোতার ভিত্তিতে এবং একটি অলিখিত বিধি মেনে তাদের কল্যাণে নেওয়া হয়।
মন্ত্রী বলেন, ‘চাঁদাবাজি হলো এমন কিছু, যেখানে কেউ টাকা দিতে চায় না কিন্তু তাকে বাধ্য করা হয়।’ তার মতে, পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে টাকা আদায় হলে সেটিকে চাঁদাবাজি বলা যাবে না।
টিআই/এসএসএইচ