রাষ্ট্রপতিকে বক্তৃতার সুযোগ দিয়ে সংসদকে কলুষিত করেছে বিএনপি

সংসদ থেকে ওয়াকআউট করে জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্রপতিকে অবমাননা করেনি; বরং স্বৈরাচারের দোসরকে সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দিয়ে বিএনপিই সংসদকে কলুষিত করেছে বলে মন্তব্য করেছেন ১১ দলীয় ঐক্যের লিয়াঁজো কমিটির সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ।
বিজ্ঞাপন
শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের লিয়াঁজো কমিটির বৈঠক শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ‘আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, আমরা রাষ্ট্রপতিকে অবমাননা করিনি। স্বৈরাচারের দোসরকে সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দিয়ে বিএনপি বরং সংসদকে কলুষিত ও জাতিকে অপমান করেছে।’
জাতীয় সংসদ অধিবেশন চলাকালে জাতীয় সংগীতের সময় অনেক সদস্যের বসে থাকা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া বিতর্ক প্রসঙ্গে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক কথাই লেখে; মরা মানুষ জিন্দা করে, জিন্দা মানুষ মেরে ফেলে। সুতরাং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিয়ে এখানে কোনো প্রশ্নের জবাব দেওয়ার প্রয়োজন নেই। জাতীয় সংসদে সেদিন কী হয়েছে, আপনারা সব দেখেছেন।’
বিজ্ঞাপন
ঘটনার ব্যাখ্যা দিয়ে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, নতুন নির্বাচিত স্পিকার জুলাইয়ের ঘটনার ওপর আলোচনার যে এজেন্ডা রেখেছিলেন, সেখানে স্পষ্ট দাবি ছিল– স্বৈরাচারের কোনো দোসর যেন সংসদে বক্তব্য দিয়ে সংসদকে কলুষিত না করে। এই দাবি না মানায় তারা রাষ্ট্রীয় শিষ্টাচার ও সংসদীয় রীতি মেনেই বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করেছেন। রাষ্ট্রপতির ভাষণ সংসদীয় কমিটিতে আলোচনার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, সংসদীয় কমিটিতে বিরোধী দল যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সে অনুযায়ীই তাদের ভূমিকা থাকবে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন– খেলাফত মজলিসের মহাসচিব অধ্যাপক আহমদ আবদুল কাদের, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালউদ্দিন, নেজামে ইসলাম পার্টির নায়েবে আমির আবদুল মাজেদ, এলডিপির প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. নেয়ামুল বশির, জাগপা মুখপাত্র রাশেদ প্রধান এবং বাংলাদেশ লেবার পার্টির সভাপতি ড. মুস্তাফিজুর রহমান ইরানসহ এবি পার্টি ও ১১-দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা।
জেইউ/বিআরইউ