বিজ্ঞাপন

শনিবার রাজধানীতে ১১ দলীয় ঐক্যের বিক্ষোভ সমাবেশ

অ+
অ-
শনিবার রাজধানীতে ১১ দলীয় ঐক্যের বিক্ষোভ সমাবেশ

রাজধানীতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য।

বিজ্ঞাপন

আগামীকাল (৪ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম উত্তর গেটে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া আগামী ৭ই এপ্রিল ১১ দলের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

বৃহস্পতিবার (২ মার্চ) দুপুরে ১১ দলের লিয়াঁজো কমিটির বৈঠক শেষে জামায়াতে ইসলামী সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আজাদ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

রাজধানীর গুলশানের একটি বাসায় এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় হামিদুর রহমান আযাদের সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আহমদ আবদুল কাদের, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমিন, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান (ইরান) প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। 

বিজ্ঞাপন

বৈঠক শেষে হামিদুর রহমান আযাদ উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, সরকারি দল সংসদ পরিচালনায় ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। বর্তমান সরকার শেখ হাসিনার মতোই ফ্যাসিবাদী পথে হাঁটছে। সংস্কারকে ধামাচাপা দিয়ে সরকার সংবিধানে শুধুমাত্র সংশোধনী আনতে চায়। রাজপথের আন্দোলন ছাড়া ১১ দলের আর কোন বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, সরকার যদি সংসদে গণভোটের সমাধান না করে তাহলে ১১ দলের উদ্যোগে আগামী শনিবার বিকেল ৫টায় রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করা হবে। এছাড়া গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে জনমত গঠনের চেষ্টা করবে বিরোধী দল। একইসঙ্গে গণভোট ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন বিষয়ে সেমিনার, সিম্পোজিয়াম করা হবে। এরপরও সরকার জনমতকে উপেক্ষা করলে কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে বিরোধী দল।

জামায়াতের এই নেতা বলেন, সরকারি দল গণভোটের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। এটা দুঃখজনক ঘটনা। এর মাধ্যমে যে প্রতিশ্রুতির আলোকে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন ও নির্বাচন হয়েছে, সেটিকে অস্বীকার করা হয়েছে, জাতিকে অপমান করা হয়েছে। জাতির সঙ্গে প্রতারণাও করা হয়েছে। 

বিজ্ঞাপন

হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে স্বৈরাচারী সরকার কর্তৃত্ববাদ, স্বৈরাচার তৈরির রাস্তা উন্মুক্ত করে গেছে। সেই রাস্তায় শেখ হাসিনা সাংবিধানিক স্বৈরাচার হয়েছিল। সেই রাস্তায় বর্তমান সরকার হাঁটছে। এটা ভুল পথ। সংবিধান সংশোধন নয়, সংস্কারই করতে হবে। সংস্কার করতে হলে গণভোট মানতে হবে। সেজন্য সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকতে হবে।

সংসদ তথা সরকার এক্ষেত্রে ব্যর্থ হলে রাজপথের আন্দোলন ছাড়া বিরোধী দলের আর কোনো বিকল্প নেই বলে উল্লেখ করেন হামিদুর রহমান আযাদ।

তিনি বলেন, আজকের বৈঠকে আলোচনা হয়েছে, সংস্কারের মধ্য দিয়ে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। এছাড়া দেশে জ্বালানি সংকট থাকলেও সরকারে চল-চাতুরী করছে। সরকার জ্বালানি তেলের সংকট নেই বলে প্রচার করলেও পেট্রল পাম্পে গিয়ে তেল পাওয়া যায় না। আবার সংকট নেই প্রচার করলেও পরিবহন ব্যয় কমাতে সপ্তাহে তিনদিন অনলাইন ক্লাস করানোর কথা বলেছে। এটা মেধাবী শিক্ষার্থীদের মেধাশূন্য করার আরেকটি পাঁয়তারা বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

জেইউ/বিআরইউ