বিজ্ঞাপন

বিএনপির রাজনীতি হলো মুনাফেকি সুবিধাবাদের রাজনীতি : মামুনুল হক

অ+
অ-
বিএনপির রাজনীতি হলো মুনাফেকি সুবিধাবাদের রাজনীতি : মামুনুল হক

বাংলাদেশে বিএনপির রাজনীতি মুনাফেকি আর সুবিধাবাদের রাজনীতি বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক। তিনি বলেছেন, জুলাই বিপ্লবের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে নতুন এই বাংলাদেশে এ ধরনের রাজনীতি এ দেশের মানুষ আর সহ্য করবে না।

বিজ্ঞাপন

শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম উত্তর গেটে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা মহানগর শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এক ‘সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলে’ প্রধান বক্তার বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

গণভোটের রায়ের বিরুদ্ধে সরকারি দলের অবস্থানের প্রতিবাদে এবং অবিলম্বে গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

বিক্ষোভোত্তর সমাবেশে মামুনুল হক বলেন, সরকারের প্রবর্তিত যেসব অধ্যাদেশ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, সেগুলো বিএনপির খুব পছন্দ। কিন্তু যেসব প্রস্তাবনা জাতির কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য করে, সেগুলোই তাদের কাছে অপছন্দ। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচন-পূর্ববর্তী সময়ে বিএনপি জনসম্মুখে এক কথা বললেও নেপথ্যে ভিন্ন আচরণ করেছে।

বিজ্ঞাপন

বিএনপি প্রধানের উদ্দেশে তিনি বলেন, “তলে তলে এক কথা আর প্রকাশ্যে আরেক কথা বলাকে আমাদের দেশে মুনাফেকি বলা হয়। বিএনপির রাজনীতির দুটি বুনিয়াদ আজ জাতির সামনে স্পষ্ট– এক মুনাফেকি আর অন্যটি সুবিধাবাদ।”

মামুনুল হক আরও বলেন, “জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে যদি বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করেন এবং গণরায়কে হাইকোর্ট দেখান, তবে এ দেশের মানুষ রাজপথে আপনাদের মোকাবিলা করবে। ৭০ শতাংশ জনগণের বিপক্ষে গিয়ে ক্ষমতার মসনদে টিকে থাকা যাবে না।”

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার সন্তানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, “জনতার বিরুদ্ধে গিয়ে কোনো বিশেষ কায়দায় নির্বাচন করার চেষ্টা করলে তার পরিণাম আপনাদেরই ভোগ করতে হবে। অতীতে আপনাদের ভুলের খেসারত আমাদের ২৫ বছর ধরে দিতে হয়েছে, গুম-খুন ও হত্যার শিকার হতে হয়েছে। আমরা চাই আপনারা সুন্দরভাবে দেশ পরিচালনা করুন এবং জনগণের রায়ের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করুন।”

বিজ্ঞাপন

জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সংসদ সদস্য এ টি এম আজহারুল ইসলামের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ, এনসিপির সদস্যসচিব আকতার হোসেন এমপি এবং লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান প্রমুখ।

সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি বায়তুল মোকাররম থেকে শুরু হয়ে নাইটিঙ্গেল মোড় হয়ে কাকরাইলে গিয়ে শেষ হয়।

জেইউ/বিআরইউ