চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদল নেতা মাকসুদুল হক চৌধুরী ওরফে মাসুদ হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী মো. আইয়ুবকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৭)।
রোববার (২১ জুন) ভোরে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার খেদারমারা ইউনিয়নের দূরছড়ি এলাকায় তার ভগ্নিপতির বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব জানায়, গ্রেপ্তার আইয়ুব রাউজানের কদলপুর এলাকার বাসিন্দা। গত ১৩ জুন পাহাড়তলী চৌমুহনী বাজারে যুবদল নেতা মাকসুদকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার পর থেকেই তিনি দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ ভোর ছয়টার দিকে বাঘাইছড়ির দূরছড়ি এলাকায় আইয়ুবের ভগ্নিপতি শাহ আলমের বাড়িতে অভিযান চালায় র্যাব-৭-এর একটি দল। সেখান থেকে তাকে আটক করার পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য চট্টগ্রামে নিয়ে আসা হয়।
র্যাব-৭-এর সেকেন্ড-ইন-কমান্ড মেজর জালিস মাহমুদ খান গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, যুবদল নেতা মাকসুদ হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে মূল পরিকল্পনাকারী ও নির্দেশদাতা হিসেবে আইয়ুবের নাম আসে। তাকে দীর্ঘদিন ধরে নজরদারিতে রাখা হয়েছিল।
বাঘাইছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাছির উদ্দিন মজুমদার বলেন, দুর্গম এলাকায় র্যাবের একটি দল অভিযান চালিয়ে ওই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। স্থানীয় থানা-পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত বাকি আসামিদের ধরতেও অভিযান চলছে।
এর আগে, গত ১৩ জুন (শনিবার) দুপুর দেড়টার দিকে রাউজান উপজেলার পাহাড়তলী ইউনিয়নের চৌমুহনী বাজারে একটি ওষুধের দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন যুবদল নেতা মাকসুদুল হক চৌধুরী। এ সময় একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে আসা পাঁচ অস্ত্রধারী তাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। ঘটনার সময় হামলাকারীদের মধ্যে দুজনের হাতে শর্টগান ও তিনজনের হাতে পিস্তল ছিল বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।
জেডএস
